Plane Crash: ‘অভিশপ্ত ডিসেম্বর’, এক মাসে গোটা বিশ্বে ছয় বিমান দুর্ঘটনায় মৃত ২৩৬!

Plane Crash: ‘অভিশপ্ত ডিসেম্বর’, এক মাসে গোটা বিশ্বে ছয় বিমান দুর্ঘটনায় মৃত ২৩৬!

নতুন বছর আসতে এখনও বাকি দু’দিন । কিন্তু বছরের শেষ মাসে মাত্র ২৯ দিনের মধ্যে বিশ্বের নানা প্রান্তে পর পর ছ’টি বিমান দুর্ঘটনা ঘটল। বছরের শেষ মাসে এই বিমান দুর্ঘটনাগুলিতে এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ২৩৬ জন।

নতুন বছর আসতে এখনও বাকি দু’দিন । কিন্তু বছরের শেষ মাসে মাত্র ২৯ দিনের মধ্যে বিশ্বের নানা প্রান্তে পর পর ছ’টি বিমান দুর্ঘটনা ঘটল। বছরের শেষ মাসে এই বিমান দুর্ঘটনাগুলিতে এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ২৩৬ জন। প্রতীকী ছবি
রবিবারই দক্ষিণ কোরিয়ার মুয়ানে অবতরণের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে জেজু এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ বিমান। এই বিমান দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। দু’জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, এমনটাই জানানো হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যমের তরফ থেকে।

একই দিনে অর্থাৎ রবিবার কানাডার হালিফাক্স বিমানবন্দরে অবতরণের সময় রানওয়েতে পিছলে যায় কানাডার এক বিমান। নিউফাউন্ডল্যান্ডের সেন্ট জন’স থেকে কানাডার হালিফাক্স আসার পথেই এই দুর্ঘটনা। তবে হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি।

গত ২৫ ডিসেম্বর দুর্ঘটনার মুখে পড়ে আজারবাইজান এয়ারলাইন্সের ইআরজে-১৯০ বিমান। বিমানের গন্তব্য ছিল রাশিয়া। স্থানীয় সময় ভোর ৩টে ৫৫ মিনিটে বাকু থেকে রাশিয়ার চেচনিয়া প্রদেশের গ্রজনির উদ্দেশে সেটি রওনা দিয়েছিল। সেটির পথ ঘুরিয়ে দেওয়া হলেও। কাজাকস্তানের আকতুতে কাস্পিয়ান সাগরের পূর্ব উপকূলে বিমানটি আচমকা ভেঙে পড়ে। ঘন কুয়াশার কারণে কাজাকখস্তানের বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করার কথা ছিল। কিন্তু অবতরণের আগে বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। রুশ সংবাদমাধ্যমের তরফে দাবি করা হয়, একঝাঁক পাখির সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত দুর্ঘটনার কারণ নিশ্চিত করে জানা যায়নি।

গত ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ ব্রাজিলের অন্যতম পর্যটন শহর গ্রামাদোতে ১০ জন যাত্রী নিয়ে ভেঙে পড়ে আরও একটি বিমান। দুর্ঘটনার জেরে মৃত্যু হয় বিমানের সব যাত্রীর। যাত্রিবাহী বিমানটি প্রথমে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাড়ির চিমনিতে ধাক্কা মারে। এর পর আরও একটি বাড়ির দো’তলায় গিয়ে দ্বিতীয় বার ধাক্কা খায় সেটি। শেষমেশ বিমানটি একটি দোকানের উপর হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। মুহূর্তেই দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে বিমানটি। একই দিনে পাপুয়া নিউ গিনিতেও একটি বিমান ভেঙে পড়ে। সেই দুর্ঘটনায় পাঁচ জনের মৃত্যু হয়। এই দুর্ঘটনার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।

১৮ ডিসেম্বর আর্জেন্টিনার সান ফার্নানদো বিমানবন্দরের কাছে একটি বিমান গাছে এবং পাঁচিলে ধাক্কা খায়। তার পরেই আগুন লেগে যায় বিমানটিতে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই বিমানের দুই পাইলটের। ১৭ ডিসেম্বর হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের হনুলুলু বিমানবন্দরের কাছে একটি পণ্যবাহী বিমান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভেঙে পড়ে। কী কারণে বিমানটি ভেঙে পড়ল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। মনে করা হচ্ছে পাইলটদের প্রশিক্ষণ চলার সময়ে বিমানটি ভেঙে পড়ে।

বিমানগুলি ভেঙে পড়ার নেপথ্যে রয়েছে নানান কারণ। কোথাও রয়েছে প্রতিকূল আবহাওয়া, আবার কোথাও রয়েছে প্রযুক্তিগত ত্রুটি। তবে দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে ধন্দ রইলেও সকলেই একটি বিষয়ে একমত যে, ভবিষ্যতে এই ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে আরও সুরক্ষার বিষয়ে আরও নজরদারি প্রয়োজন।

(Feed Source: news18.com)