
Bardhaman- এদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক টানাপোড়েন। সিপিএম ও বিজেপির অভিযোগ, ব্লক সভাপতি ও বিধায়ক গোষ্ঠীর মধ্যে গোটা গ্রাম জুড়ে একটা ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
বর্ধমান: পিকনিক করা নিয়ে বিবাদ। তাতেই ভাঙচুর, বোমাবাজি। গ্রামের দুই গোষ্ঠীর মধ্য হাতাহাতি ও বোমাবাজিতে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ালো খন্ডঘোষের কেশবপুরে। ভাঙচুর চালানো হয় একাধিক বাইক ও গাড়িতে। জখম বেশ কয়েকজন। ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।ধৃতদের শনিবার বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে কেশবপুর তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ের পাশে কয়েক জন মিলে পিকনিক করছিল। পিকনিক চলাকালীন বেশ কয়েকজন যুবক তাদের ওপর হামলা করে। মারধর,গাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি ব্যপক বোমাবাজিও করা হয় বলে অভিযোগ।
পরে ঘটনাস্থলে খন্ডঘোষ থানার বপুলিশ বাহিনী পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ভাঙচুর,বোমাবাজিতে জড়িত থাকার অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘটনার জেরে শনিবারও পরিস্থিতি উত্তেজনায় থমথমে ছিল।ফের গোলমাল এড়াতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক টানাপোড়েন। সিপিএম ও বিজেপির অভিযোগ, ব্লক সভাপতি ও বিধায়ক গোষ্ঠীর মধ্যে গোটা গ্রাম জুড়ে একটা ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এক গোষ্ঠী যখন পিকনিক করছিল, অপর গোষ্ঠী তখন বোমা নিয়ে চড়াও হয়।
তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানান, ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার সাথে তৃণমূলের কোনো সম্পর্ক নেই। তৃণমূলের কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই, লড়াই নেই। বিরোধীরা মিথ্যা কথা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। বাংলায় যে বারুদ, উগ্রপন্থী বা জঙ্গি ঢুকছে তা আটকানোর দায়িত্ব কেন্দ্রীয় এজেন্সির। তৃণমূল কংগ্রেস কখনওই অন্যায়কে কোনও রকম প্রশ্রয় দেয় না। কারা বোমাবাজি করল, সেই বোমা কোথা থেকে এল, তা খতিয়ে দেখুক পুলিশ।
