
#বার্বাডোজ: তিনি বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার। কোটি কোটি ভক্ত পৃথিবীজুড়ে। কয়েকদিন আগেই নতুন বান্ধবীর সঙ্গে পরিচয় করিয়েছেন ভক্তদের। আর একটু হলেই বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত নেইমারের। পাইলটের বুদ্ধি এবং দক্ষতার জেরে বেঁচে গিয়েছেন ফুটবল সুপার স্টার।
মাঝ আকাশে বিপদে পড়ল নেইমারের ব্যক্তিগত বিমান। বার্বাডোজ থেকে ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিমানটি খারাপ আবহাওয়ার মধ্যে পড়ে। প্রচন্ড ঝাঁকুনি শুরু হয়। পাইলট জরুরি অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন। উত্তর-পূর্ব ব্রাজিলের একটি ছোট বিমান বন্দরে জরুরি অবতরণ করে সেই বিমান।
Neymar private jet has been forced into emergency landing, reasons for this have remained unclear pic.twitter.com/CpVsevQl9C
— Naija (@Naija_PR) June 21, 2022
যাত্রী ছিলেন নেইমার এবং তাঁর বোন। বিমান ছাড়ার আগে বোন রাফায়েলাকে পাশে নিয়ে একটি ছবি তোলেন তিনি। নেটমাধ্যমে সেই ছবি পোস্ট করেন তিনি। আকাশে ওড়ার পর বিমানের জানলা থেকে তোলা নিচের ছবিও নেটমাধ্যমে দেন প্যারিস সঁ জঁ ফুটবলার। যদিও ব্রাজিলের একটি সূত্রের দাবি, বিমানে ছিলেন না নেইমার।
বোনের সঙ্গে মায়ামিতে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন ব্রাজিলের সুপারস্টার। গত সপ্তাহেই মায়ামির সমুদ্র সৈকতে বান্ধবী ব্রুনা বিয়ানকার্ডি এবং বোন রাফায়েলার সঙ্গে দেখা গিয়েছে তাঁকে। ব্রাজিল ফেরার সময়ই মাঝ আকাশে এই বিপত্তি। ছোট বিমান হওয়ায় ঝুঁকি নিতে চাননি পাইলট।
শেষ পর্যন্ত নিরাপদেই অবতরণ করে নেইমারের বিমান। নেইমার এবং তাঁর বোনের কোনও আঘাত লাগেনি। নেমারের ব্যক্তিগত বিমানটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫৩১ কিলোমিটার গতিতে যেতে পারে। এক টানা ২,৯০০ নটিক্যাল মাইল উড়তে পারে। আকারে ছোট হওয়াতেই পাইলট খারাপ আবহাওয়ার মধ্যে বিমান চালানোর ঝুঁকি নেননি।
আট সিটের এই বিমানে আধুনিক বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জাম রয়েছে। তবে পরে আবহাওয়া ঠিক হলে সশরীরে দেশে ফিরে এসেছেন নেইমার এবং তার বোন রাফায়েলা। ব্রাজিলের হয়ে কাতার বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে নামবেন নেইমার। একই সঙ্গে ব্রাজিলের জার্সিতে আর তিনটি গোল করলে কিংবদন্তি পেলেকে স্পর্শ করবেন তিনি।
