Alipurduar News: বিরাট সুখবর! টি ট্যুরিজম পড়তে আর চিন্তা করতে হবেনা! এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কোর্স চালুর তোড়জোড় শুরু…

Alipurduar News: বিরাট সুখবর! টি ট্যুরিজম পড়তে আর চিন্তা করতে হবেনা! এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কোর্স চালুর তোড়জোড় শুরু…

Alipurduar News: আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে পঠনপাঠন শুরু হবে টি ট্যুরিজম, টিম্বার ম্যানেজমেন্ট-সহ আরও চারটি কোর্স। আশার আলো দেখালেন আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সরিৎ কুমার চৌধুরী। আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়

আলিপুরদুয়ার: আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে পঠনপাঠন শুরু হবে টি ট্যুরিজম, টিম্বার ম্যানেজমেন্ট-সহ আরও চারটি কোর্স। আশার আলো দেখালেন আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সরিৎ কুমার চৌধুরী।

দীর্ঘ চার বছর পর আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী উপাচার্য পেল। অধ্যাপক সরিৎ কুমার চৌধুরী উপাচার্য হিসেবে কাজে যোগ দিয়েছেন। ২০১৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন পায়, বর্তমানে আলিপুরদুয়ার কলেজ চত্বরে চলছে বিশ্ববিদ্যালয়। চার বছর হয়ে গেলেও নিজস্ব কোনও পরিকাঠামো গড়ে ওঠেনি বিশ্ববিদ্যালয়ের।২০২০ সালে ড: মহেন্দ্রনাথ রায় অস্থায়ী উপাচার্য হিসেবে প্রথমে কাজে যোগ দিয়েছিলেন।এরপর এই প্রথম স্থায়ী উপাচার্য পেল বিশ্ববিদ্যালয়।স্থায়ী উপাচার্য না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নানান কাজ এতদিন আটকে ছিল।

এবার স্থায়ী উপাচার্য কাজে যোগদান করায় খুশি আলিপুরদুয়ারের পড়ুয়া থেকে শুরু করে শিক্ষানুরাগী মানুষজন। আলিপুরদুয়ার জেলা চা, কাঠ এবং বিভিন্ন জনজাতির বাসস্থান। প্রতিটি বিষয় নিয়ে আলাদাভাবে পড়াশুনা সম্ভব। এই বিষয়গুলির ওপর কোর্স করতে পড়ুয়ারা বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়ে যায়। তাঁদের যাতে বাইরে না যেতে হয়, জেলাতে এই কোর্সগুলি পড়ার সুযোগ মেলে, তার ব্যবস্থা করছেন উপাচার্য। কেন্দ্র শিক্ষা দফতরের কাছে প্রস্তাব পাঠাবেন উপাচার্য।

আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য সরিৎ কুমার চৌধুরী জানান, এতদিন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী কোনও উপাচার্য ছিলেন না। ফলে কাজে কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে। আলিপুরদুয়ার মহাবিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে। ফলে কলেজে অধ্যাপক ও কর্মীরা এখন ও কলেজেই রয়েছে। তাদের কিছু পরিবর্তন হয়নি। ইসি তৈরি হয়নি। ফলে যাবতীয় কাজ বন্ধ ছিল। উপাচার্য সরিৎ কুমার চৌধুরী জানান, “পাঁচ বছরের মধ্যে ন্যাকের টিম আসবে। চার বছর তো কেটেই গেল। আলিপুরদুয়ার জেলার স্বকীয়তা বজায় রাখে চা বাগান, বিভিন্ন জনজাতির মানুষেরা। সেগুলির ওপর পড়াশুনোর কোর্স চালু করতে হবে। পড়ুয়ারা যত বেশি জানতে পাবে তত এলাকার উন্নতি সাধন হবে। “

Annanya Dey

(Feed Source: news18.com)