
ভারতে কর্মরত কর্মীদের অবসরের বয়স নিয়ে বড় ঘোষণা করল আইটি সংস্থা কগনিজ্যান্ট। এতদিন এই সংস্থায় কর্মীদের অবসরের বয়স ছিল ৫৮ বছর। এবার তা সংশোধন করে ৬০ বছর করা হল। এই নিয়ে সংস্থায় অভ্যন্তরীণ একটি মেমো প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে কর্মীদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, ‘অভিজ্ঞ কর্মীদের আকৃষ্ট করতে এবং তাঁদের ধরে রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর। তাই ভারতের মার্কেট প্র্যাক্টিসের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে।’
উল্লেখ্য, বেশিরভাগ আইটি সংস্থাতেই অবসরের বয়স ৫৮ বছর। এই নীতি অনসাইটে কাজ করা কর্মীদের জন্যেও প্রযোজ্য হয়ে থাকে। তবে কগনিজ্যান্ট এবার কর্মীদের অবসরের বয়স ২ বছর বাড়িয়ে দিল। তবে সংস্থার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, কর্মীদের পেনশন ফান্ড ৫৮ বছর বয়সেই বন্ধ হয়ে যাবে। তবে যদি ইপিএফও থেকে বিশেষ অনুমোদন নেওয়া হয়, তাহলে তা জারি থাকবে। এই নয়া অবসর নীতি ২০২৪ সালের নভেম্বর মাস থেকে কার্যকর করা হয়েছে। এদিকে এই নীতি অনুযায়ী, কর্মীদের পেনশন ফান্ডে যে টাকা যাওয়ার কথা, তা সংশ্লিষ্ট কর্মীর প্রভিডেন্ট ফান্ডে পাঠানো হবে।
উল্লেখ্য, কর্মীদের অ্যাট্রিশনের হার (স্বেচ্ছায় সংস্থা ছাড়ার হার) কমানোর জন্যে একধিক পদক্ষেপ করেছেন কগনিজ্যান্টের সিইও রবি কুমার। এর আগে এপ্রিলে কর্মীদের এককালীন বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা করা হয়েছিল। সংস্থার বার্ষিক অ্যাপ্রেসাল সাইকেল শেষের মাত্র ৬ মাস পরেই সেই বেতন বৃদ্ধি হয়েছিল। এই আবহে ২০২৪ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে ১৩ হাজার কর্মী কগনিজ্যান্টে ফিরে আসেন বলে জানিয়েছেন সিইউ রবি কুমার। এই সময়কালে কগনিজ্যান্টের অ্যাট্রিশন রেট কমে। ২০২৩ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বর কোয়ার্টারে যেখানে সংস্থার অ্যাট্রিশন রেট ছিল ১৬.২ শতাংশ, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর কোয়ার্টারে তা কমে ১৪.৬ শতাংশ হয়।
এর আগে গতবছর অফ-ক্যাম্পাসিংয়ের মাধ্যমে কর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কগনিজ্যান্ট। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, অফ-ক্যাম্পাসিংয়ে বার্ষিক ২.৫২ লাখ টাকার প্যাকেজ অফার করা হয়েছিল কগনিজ্যান্টের তরফ থেকে। যা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলের শিকার হয়েছিল এই আইটি সংস্থা। অনেকেই বলেছিলেন, পুণে বা বেঙ্গালুরুতে থাকা-খাওয়ার খরচই মাসে ২৫ হাজার টাকা। এই চাকরিতে তো সেই টাকাও পাওয়া যাবে না।
(Feed Source: hindustantimes.com)
