
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ‘নারী হয়েও একজন বাচ্চা মেয়ের কষ্ট বুঝতে পারেনি। যে নারী এমন অপরাধ করে, সে সমাজের ক্যাকটাস’, এমনই মন্তব্য করলেন আদালতের বিচারপতি। ১০ বছরের পুরনো একটি ধর্ষণ মামলার রায় দিল জয়পুর মেট্রোপলিটন সিটি-র POCSO আদালত-২। একজন নাবালিকাকে ধর্ষণ করানো এবং তাকে যৌনপল্লীতে বিক্রি করার চেষ্টার জন্য একজন মহিলাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের ঘোষণা।
একই মামলায় ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে তিন নারী-সহ চারজনকে গ্রেফতারি পরোয়ানা-সহ তলব করেছে আদালত। আদালত উত্তরপ্রদেশের শিকোহাবাদের বাসিন্দা প্রধান অভিযুক্ত কারিশমা ওরফে কাসোকে ৬১ হাজার টাকা জরিমানাও করেছে। জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ড ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত মহিলার ছেলে (নাবালক) এবং ধর্ষণকারীকে ৩ বছরের জন্য ভিলওয়ারার একটি নিরাপদ বাড়িতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।
পুলিস জানিয়েছে, ২০১৪ সালের ১০ জুলাই জয়পুরের গালাতা গেট থানায় একটি নাবালিকাকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়ার একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। পুলিস দেড় মাস পরে নাবালিকাটিকে উদ্ধার করে। নির্যাতিতা পুলিসকে জানায় যে, তাঁকে আগ্রায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে কাসোর ছেলে তাঁকে ধর্ষণ করে এবং পতিতাবৃত্তির জন্য জোর করে। এমনকী কাসো এবং তাঁর ছেলে তাঁকে বিক্রি করার চেষ্টা করেছিল।
আদালত কাসোকে আমৃত্যু কারাগারে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি আদালত পুলিসের শিথিলতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। আদালত নয়না, তার মেয়ে স্বপ্না, ফিরোজাবাদের বাসিন্দা মঞ্জু এবং বাবলু সিংকে অপরাধে সহায়তা করার অভিযোগে গ্রেফতারি পরোয়ানার মাধ্যমে তলব করেছে।
(Feed Source: zeenews.com)
