
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ‘জেনিক’– এক নতুন পরীক্ষামূলক অ্যান্টিবায়োটিক। এটির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল নিয়ে চলছে বিস্তর চর্চা। জানা গিয়েছে, ‘ড্রাগ-রেজিস্টান্ট ইনফেকশনে’র সঙ্গে লড়ার ক্ষেত্রে ‘জেনিক’ ৯৭ শতাংশ এফেক্টিভ বা কার্যকরী হবে।
জানা গিয়েছে ‘জেনিক’ দুটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিকের মিশ্রণ– জাইডব্যাকটাম ও সেফেপাইম। মুম্বইয়ের ওখার্ড ফার্মাসিউটিক্যাল এই ওষুধটি প্রস্তুত করেছে। শরীর অনেক সময়ই অ্যান্টিবায়োটিককে কাজ করতে দেয় না। এই বিষয়টি রোগ, রোগী বা রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে খুবই খারাপ পরিণতি ডেকে আনে। সন্দেহ নেই, এই অ্যান্টিবায়োটিক-রেজিস্ট্যান্সের যে নীরব মহামারি চলছে, তার থেকে রেহাই পাওয়ার একটা পথ এ থেকে বেরিয়ে এল।
‘জেনিক’ একসঙ্গে বহু ধরনের সংক্রমণের সঙ্গে লড়তে সক্ষম। এর মধ্যে রয়েছে হসপিটাল অ্যাকোয়ার্ড ব্যাকটেরিয়াল নিউমোনিয়া, ভেন্টিলেটর-অ্যাসোসিয়েটেড ব্যাকটেরিয়াল নিউমোনিয়া, ব্লাডস্ট্রিম ইনফেকশন, কমপ্লিকেটেড ইন্ট্রা-অ্যাবডোমিনাল ইনফেকশনস, কমপ্লিকেটেড ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন।
‘জেনিক’ প্রয়োগ করে ড্রাগ-রেজিস্ট্যান্ট বহু সংকটাপন্ন রোগীকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব হয়েছে। দেশ জুড়ে বেশ কয়েকটি প্রথম সারির হাসপাতালে এই ওষুধ প্রয়োগের ট্রায়াল চালু করা হয়েছিল। আর তা থেকেই মিলেছে এই তথ্য। যা আশার আলো দেখাচ্ছে সকলকে। এই ড্রাগের প্রয়োগ থেকে সংশ্লিষ্ট রোগীর সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য প্রয়োজন ৭ থেকে ২১ দিন। ‘ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া’ এই নিরীক্ষাকে অনুমোদন দিয়েছে।
(Feed Source: zeenews.com)
