
মুম্বই: সেফ আলি খানের ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশের হাতে গ্রেফতার মহম্মদ শরিফুল ইসলাম শাহজাদ। পুলিশের চোখে ধুলো দিতে কখনও বিজয় দাস, কখনও মহম্মদ ইলিয়াস, বারবার নাম বদল করে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল বছর তিরিশের শরিফুল। ৭০ ঘন্টার তল্লাশিতে অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে সেফের হামলাকারী। যদিও তাঁকে ধরতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে মুম্বই পুলিশকে। অবশেষে জি পে (G Pay) ধরিয়ে দিয়েছে তাঁকে।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ওয়ারলির সেঞ্চুরি মিলের কাছে একটি স্টলে পরোটা এবং জলের বোতল কেনেন অভিযুক্ত। Google Pay (G Pay) এর মাধ্যমে করা একটি UPI লেনদেনই পুলিশের নজরে আসে সে। এরপর চলতে থাকে তল্লাশি। থানের ওই এলাকায় একপাক দিয়ে বেরিয়েও আসে পুলিশ। হঠাৎই টর্চের আলোতে দেখা যায় মাটিতে কেউ ঘুমাচ্ছে। একজন অফিসার কাছে যেতেই উঠে দৌড়তে শুরু করে সে এরপর আর বুঝতে দেরি হয়নি পুলিশের।
মুম্বই পুলিশের তরফে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলা হয়, “প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের সময়, অভিযুক্ত বলেছিল যে টিভি এবং ইউটিউবে তার ছবিগুলি ফ্ল্যাশ হওয়ার পরে, সে ভয় পেয়ে থানে পালিয়ে গিয়েছিল কারণ সে সেখানে একটি বারে কাজ করেছিল এবং এলাকাটি তার হাতের মুঠোয় ছিল।” এর আগে, বান্দ্রা রেলওয়ে স্টেশনে সিসিটিভি ফুটেজ ট্র্যাক করার পরে এবং দাদার স্টেশনের বাইরে একটি দোকানে তাকে ট্রেস করার পরে পুলিশ সন্দেহভাজন ব্যক্তির উপর নজর রাখতে শুরু করে। এরপর সে একটি মোবাইল কভারও কেনে। তারপর ওয়ারলি চলে যায়।
পুলিশ ওয়ারলি এলাকায় ফুটেজ স্ক্যান করতে শুরু করলে তাঁকে সেঞ্চুরি মিলের কাছে একটি স্টলে কিছুক্ষণের জন্য দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে। ক্রাইম ব্রাঞ্চের অফিসাররা তল্লাশি করতেই মেলেই খোঁজ। পরোটা বিক্রেতাও নিশ্চিত করেন। সেখান থেকেই মেলে জি পে দিয়ে মেলে ফোন নম্বর। যদিও শনিবার রাত ১০টার দিকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেয়। ততক্ষণে অবশ্য তার লোকেশন ট্র্যাক করে ফেলে পুলিশ।
শনিবার মধ্যরাতে, সেফ আলি খানের বান্দ্রার বাড়ি থেকে মাত্র ৩৫ কিলোমিটার দূরে, থানের এক শ্রমিক বস্তি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মুম্বই পুলিশের ডিসিপি দীক্ষিত গেদাম বলেন, অভিযুক্তর নাম মহম্মদ শরিফুল ইসলাম শাহজাদ, বয়স ৩০। তদন্তে যেটুকু উঠে এসেছে, অভিযুক্ত চুরির উদ্দেশেই ঘরে ঢুকেছিল।
(Feed Source: abplive.com)
