জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: মলের বেসমেন্টের ভরা জেলে ভেসে উঠল অজ্ঞাত মহিলার মৃতদেহ। ঘটনাটি ঘটে, মুম্বইয়ের ভান্ডুপের ড্রিমস মলে। জানা গিয়েছে, সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে মলের এক কর্মচারী মৃতদেহটি ভাসতে দেখে। কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেন তিনি। তারপর মৃতদেহটি মুলুন্ড জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসকরা মহিলাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃতদেহের পরনে গোলাপি রঙের সালোয়ার ছিল।
প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হয়েছে যে, মৃত মহিলার বয়স ৩০। সম্ভবত ফুসফুসে জল ঢুকে যাওয়ায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। একজন সমাজকর্মী জানিয়েছেন, মলটি বেশ কয়েক বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। তাই এর বেসমেন্টে প্রচুর পরিমাণে জল জমেছে। পরিত্যক্ত প্রাঙ্গনে প্রায়শই মাদক সেবনকারী এবং দম্পতিরা আসে। ইতোমধ্যেই পুলিস ঘটনার তদন্তে নেমে পড়েছে।
আরও জানা গিয়েছে, দুটি অগ্নিকাণ্ডের পর কয়েক বছর ধরে ড্রিমস মল বন্ধ রয়েছে। একটি অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে সানরাইজ হাসপাতালে, যা মলের উপরের তলায় ছিল এবং অন্যটি কাঠামোর একটি বড় অংশকে গ্রাস করেছিল। ভবনটিতে পাঞ্জাব মহারাষ্ট্র সমবায় ব্যাঙ্কের প্রধান কার্যালয়ও ছিল, যা হাজার হাজার কোটি টাকার আর্থিক কেলেঙ্কারির জন্য কুখ্যাত।
মলের পিছনে অবস্থিত ড্রিমস হাইটস আবাসিক ভবনগুলির বিকাশকারী এইচডিআইএল-এর মালিকানা ছিল৷ এটি বন্ধ হওয়ার পর থেকে প্রাঙ্গণটি ভবঘুরে ও অসামাজিক কাজের জায়গায় পরিণত হয়েছে।
উল্লেখ্য, বস্তাবন্দি বিবাহিত মহিলার মৃতদেহের মুণ্ডুর খোঁজে জোর তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে দুই জেলার পুলিস। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় পর পর ২টি মুণ্ডুহীন মহিলার বস্তাবন্দী দেহ উদ্ধার হয়। যা জেলা পুলিস প্রশাসনের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। কে বা কারা এই খুনের পিছনে রয়েছে, তা জানতে জোরকদমে চলছে তদন্ত। গত রবিবার ময়নার রায়চকের চন্ডিয়া নদীতে বস্তাবন্দি এক বিবাহিত মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না থানার পুলিস।
(Feed Source: zeenews.com)
