
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: হাড়হিম করে দেওয়া ঘটনা হায়দরাবাদে। প্রথমে স্ত্রীকে খুন, তারপর দেহ লোপাটের উদ্দেশে দেহ কেটে কেটে টুকরো করে তা প্রেশার কুকারে রীতিমতো সেদ্ধ করে স্বামী! ভয়ংকর এই ঘটনাটি ঘটেছে হায়দরাবাদের রাঙ্গারেড্ডি জেলায় ভেঙ্কটেশ্বর কলোনিতে। অভিযুক্ত স্বামী একজন প্রাক্তন সেনা কর্মী। নাম গুরুমূর্তি।
জানা গিয়েছে, মৃতার নাম ভেঙ্কটা মাধবী। বয়স ৩৫ বছর। হায়দরবাদের জিললেগুডাতে স্ত্রী মাধবীকে নিয়ে থাকত গুরুমূর্তি। সঙ্গে তাদের ২ সন্তান। সেনা থেকে অবসরের পর আদতে প্রকাশন জেলার বাসিন্দা গুরুমূর্তি কাঞ্চনবাগে নিরাপত্তা রক্ষী হিসেবে কর্মরত ছিল। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৮ জানুয়ারি আচমকাই ভেঙ্কটা মাধবী নিখোঁজ হয়ে যান। থানায় মিসিং ডায়েরি করেন মাধবীর মা।
নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় পুলিস তদন্ত শুরু করলে এই হাড়হিম করা হত্যাকাণ্ডের ঘটনা বেরিয়ে আসে। তদন্ত শুরু করার পর পুলিস স্বামী গুরুমূর্তিকেই প্রথম সন্দেহ করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করতেই গুরুমূর্তি তার অপরাধের কথা স্বীকার করে নেয়। পুলিস জানিয়েছে, স্ত্রী মাধবীকে হত্যার পর গুরুমূর্তি প্রথমে দেহ বাথরুমে নিয়ে গিয়ে টুকরো টুকরো করে কাটে। তারপর সেগুলো প্রেশার কুকারে সেদ্ধ করে।
এখানেই শেষ নয়। এরপর হাড়গুলোকে আলাদা করে হামানদিস্তা দিয়ে সেগুলো গুঁড়ো করে। তারপর আলাদা করা মাংস আবার সেদ্ধ করেন। এভাবে তিনদিন ধরে একাধিকবার মাংস ও হাড় সেদ্ধ করার পর, তারপর সেগুলো প্যাকেটে করে স্থানীয় একটি জলাশয়ে ফেলে দেয়। পুলিসি জেরায় গুরুমূর্তি আরও জানিয়েছে, কথা কাটাকাটির সময় রাগের মাথাতেই সেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
((Feed Source: zeenews.com)
