সিম-এর ভ্যালিডিটি বাড়াতে চাইছেন? মাসে মাত্র ২০ টাকা খরচ! জেনে নিন

সিম-এর ভ্যালিডিটি বাড়াতে চাইছেন? মাসে মাত্র ২০ টাকা খরচ! জেনে নিন

SIM Card- বেশিরভাগ মানুষ জানেন যে, নিজেদের নামে থাকা SIM কার্ড নির্বিঘ্নে ব্যবহার করে যাওয়ার জন্য ৯০ দিন পর্যন্ত তাঁদের প্যাক নিয়মিত ভাবে রিচার্জ করে যেতে হবে।

দেশের প্রি-পেড ইউজারদের জন্য দারুণ সুখবর। কারণ তাঁদের কথা মাথায় রেখেই কিছু পরিবর্তন এনেছে ভারতীয় টেলিকম রেগুলেটর। বেশিরভাগ মানুষ জানেন যে, নিজেদের নামে থাকা SIM কার্ড নির্বিঘ্নে ব্যবহার করে যাওয়ার জন্য ৯০ দিন পর্যন্ত তাঁদের প্যাক নিয়মিত ভাবে রিচার্জ করে যেতে হবে। নাহলে সেই কানেকশন অন্য কাউকে দিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু এখন ব্যবহারকারীরা যাতে একই ফোন নম্বর এবং SIM কার্ড ব্যবহার করে যেতে পারেন, তার জন্য প্রক্রিয়া সহজ এবং সস্তা করছে রেগুলেটর।
বিদ্যমান নীতির বিষয়ে Telecom Regulatory Authority of India অথবা TRAI এই আপডেট ভাগ করে নিয়েছে। যা দেশের টেলিকম সংস্থাগুলি সম্পূর্ণ রূপে গ্রহণ করবে। এর জন্য ব্যবহারকারীদের প্রতি মাসে ২০ টাকা করে দিতে হবে। যা তাঁদের SIM Card-কে সক্রিয় রাখবে। এর ফলে ব্যবহারকারীর নাম থেকে সেই নম্বর সরানো হবে না। যদিও এটা নতুন কোনও নিয়ম নয়। কিন্তু এই নিয়ম প্রণয়ন হতে দেখব আমরা। TRAI নিশ্চিত করে জানাচ্ছে যে, ব্যবহারকারীদের নিজেদের SIM-এর ব্যবহার চালিয়ে যাওয়ার জন্য অতিরিক্ত ব্যয় করার পরিবর্তে এই নিয়মগুলি সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।

SIM যাতে এক্সটেনশন পায়, তার জন্য ৯০ দিনের মেয়াদ: কীভাবে তা কাজ করে?রিচার্জ করা হলে একটি মোবাইল নম্বর অ্যাক্টিভ বা সক্রিয় থাকে। এই নিয়মের কথা তো আমরা সকলেই জানি। ব্যবহারকারীদের হাতে ৯০ দিনের মেয়াদ থাকবে। যার পরে তাঁকে নতুন প্যাক নিতে হবে না। এরপর SIM বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

SIM যাতে এক্সটেনশন পায়, তার জন্য ৯০ দিনের মেয়াদ: কীভাবে তা কাজ করে?রিচার্জ করা হলে একটি মোবাইল নম্বর অ্যাক্টিভ বা সক্রিয় থাকে। এই নিয়মের কথা তো আমরা সকলেই জানি। ব্যবহারকারীদের হাতে ৯০ দিনের মেয়াদ থাকবে। যার পরে তাঁকে নতুন প্যাক নিতে হবে না। এরপর SIM বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

যদিও মাসিক ২০ টাকার ব্যালেন্স জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে। এর মাধ্যমে মেয়াদ আরও ৩০ দিন বাড়ানো যেতে পারে। তাই উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে যে, ধরা যাক, কেউ নিজের নম্বর ৯০ দিনের জন্য রিচার্জ করেননি। সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র ২০ টাকা দিয়ে নিজের SIM অ্যাক্টিভ রাখার জন্য অতিরিক্ত মেয়াদ পেতে পারেন ব্যবহারকারী। প্রতি মাসে এমনটা করা যেতে পারে। এতে SIM ব্যবহারকারীর নামেই থাকবে।

যদিও মাসিক ২০ টাকার ব্যালেন্স জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে। এর মাধ্যমে মেয়াদ আরও ৩০ দিন বাড়ানো যেতে পারে। তাই উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে যে, ধরা যাক, কেউ নিজের নম্বর ৯০ দিনের জন্য রিচার্জ করেননি। সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র ২০ টাকা দিয়ে নিজের SIM অ্যাক্টিভ রাখার জন্য অতিরিক্ত মেয়াদ পেতে পারেন ব্যবহারকারী। প্রতি মাসে এমনটা করা যেতে পারে। এতে SIM ব্যবহারকারীর নামেই থাকবে।

কেউ কেউ হয়তো বলতে পারেন যে, নম্বর অ্যাক্টিভ রাখার জন্য মাসে মাসে ২০ টাকা খুব একটা বেশি নয়। কিন্তু অতিরিক্ত টাকা উপার্জন করার জন্যই মূলত এই পন্থা বেছে নিয়েছে টেলিকম সংস্থাগুলি। যদিও ব্যবহারকারীদের এটা মাথায় রাখা আবশ্যক যে, ২০ টাকার রিচার্জে SIM শুধুমাত্র অ্যাক্টিভ থাকবে। এতে কিন্তু অতিরিক্ত টক টাইম অথবা ডেটা ইউসেজ বেনিফিট পাওয়া যাবে না। কারণ এর জন্য ব্যবহারকারীর প্রয়োজন হবে অ্যাক্টিভ প্রিপেড প্ল্যান।

কেউ কেউ হয়তো বলতে পারেন যে, নম্বর অ্যাক্টিভ রাখার জন্য মাসে মাসে ২০ টাকা খুব একটা বেশি নয়। কিন্তু অতিরিক্ত টাকা উপার্জন করার জন্যই মূলত এই পন্থা বেছে নিয়েছে টেলিকম সংস্থাগুলি। যদিও ব্যবহারকারীদের এটা মাথায় রাখা আবশ্যক যে, ২০ টাকার রিচার্জে SIM শুধুমাত্র অ্যাক্টিভ থাকবে। এতে কিন্তু অতিরিক্ত টক টাইম অথবা ডেটা ইউসেজ বেনিফিট পাওয়া যাবে না। কারণ এর জন্য ব্যবহারকারীর প্রয়োজন হবে অ্যাক্টিভ প্রিপেড প্ল্যান।