Sonipat News : শুক্রবার গভীর রাতে অন্যান্য বেশ কয়েকটি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে ৫১ মাইল স্টোন বিল্ডিংয়ে পৌঁছেছিল মুরথল থানার পুলিশ। রীতিমতো পাঁচতারা হোটেলের মতো স্পা সেন্টার দেখে চমকে গিয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।
মুরথলে এসে ঘরবন্দি হয়েই থাকতেন বিদেশি মহিলারা
নীতিন আন্তিল, সোনিপত: হরিয়ানার সোনিপতের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে ৪৪ নম্বর জাতীয় সড়ক। আর এই রাস্তার উপরেই পড়ে মুরথল। জমজমাট এই জায়গাটি আবার আরও একটি কারণে জনপ্রিয়। আসলে মুরথলে রয়েছে একের পর এক ধাবা। কিন্তু আজকাল এই ধাবাগুলিই যেন বেআইনি কাজকর্মের আখড়া হয়ে উঠেছে। শুক্রবার গভীর রাতে অন্যান্য বেশ কয়েকটি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে ৫১ মাইল স্টোন বিল্ডিংয়ে পৌঁছেছিল মুরথল থানার পুলিশ। রীতিমতো পাঁচতারা হোটেলের মতো স্পা সেন্টার দেখে চমকে গিয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। মধুচক্রে জড়িত চার মহিলাকে আটক করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে আবার ২ জন বিদেশি মহিলাও রয়েছে। আটকদের তালিকায় রয়েছে এক অপারেটরও।
ধাবা এবং সুস্বাদু পরোটার জন্য হরিয়ানার সোনিপত জেলার মুরথলের নাম সারা বিশ্বে চর্চিত। কিন্তু সেই সঙ্গে এই এলাকায় ডালপালা মেলছে মধুচক্রও। মুরথলের ৫১ মাইল স্টোন বিল্ডিংয়ের চারতলায় রিবর্ন নামে একটি স্পা সেন্টার খুলেছে। একেবারে পাঁচতারা হোটেলের মতো করেই বানানো হয়েছে এই স্পা সেন্টারটি। কিন্তু মুরথল থানার পুলিশ যখন বিপুল বাহিনী নিয়ে এই স্পা সেন্টারটিতে অভিযান চালায়, তখন চমকে গিয়েছিলেন বাহিনীতে থাকা দুঁদে পুলিশ অফিসাররেরাও। সেখান থেকে দুই বিদেশি মহিলা-সহ চার মহিলাকে আটক করা হয়েছে। এদিকে এই স্পা সেন্টারটি পরিচালনা করত অভি জৈন নামে এক যুবক। তাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। এই যুবক আদতে সোনীপতের গুড় মান্ডি এলাকার বাসিন্দা। অন্যান্য তিন জন ব্যক্তিকেও এই কাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই একটি মামলা দায়ের করেছে। সেই সঙ্গে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষেত্রেও তৎপর হয়েছে।
এই বিষয়ে তথ্য দিতে গিয়ে এসিপি অজিত সিং বলেন যে, স্পা সেন্টার চালানোর আড়ালে এখানে মধুচক্র চালানো হচ্ছিল। এই তথ্য এসেছিল পুলিশের হাতে। যখন পুলিশ ভুয়ো গ্রাহক সাজিয়ে এক ব্যক্তিকে এই স্পা সেন্টারে পাঠায়, তখন পুলিশ আরও নিশ্চিত হয়ে যায় যে, এখানে মধুচক্র চালানো হচ্ছে। এরপরে পুলিশ ওই এলাকায় অভিযান চালায়। সেখানেই দুই বিদেশি মহিলা-সহ চার মহিলার সন্ধান পায়।
এখানেই শেষ নয়, ঘটনাস্থল থেকে ৬২,০০০ টাকাও উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয় এক মহিলার কথায়, তাদের জোর করে মধুচক্রে আনা হচ্ছিল। এক-একজন গ্রাহকের জন্য মাত্র ৫০০ টাকা করে পেতেন তারা। ওই স্পা সেন্টারে রয়েছে মোট ৯টি ঘর। কাউন্টারে রাখা রেজিস্টারে গ্রাহকদের সম্পূর্ণ রেকর্ড রাখা হত। এই তল্লাশি অভিযানের সময় পাঁচ নম্বর ঘরে এক ব্যক্তিকে আপত্তিকর অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে।
(Feed Source: news18.com)