Titan Submarine Tragedy: টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে আটলান্টিক মহাসাগরে ডুব দেওয়া পর্যটকবাহী ডুবোযান টাইটানের খোঁজ মেলে বহুদিন পর।
সেই ডুবোজাহাজ টাইটান…
কলকাতা: টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে আটলান্টিক মহাসাগরে ডুব দেওয়া পর্যটকবাহী ডুবোযান টাইটানের খোঁজ মেলে বহুদিন পর। গত বছরের ১৮ জুন মহাসাগরের অতলে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল ডুবোজাহাজ টাইটান। সম্প্রতি আমেরিকার উপকূলরক্ষী বাহিনী ২০ সেকেন্ডের একটি অডিও প্রকাশ্যে এনেছে। কী শোনা গিয়েছে সেই অডিওতে?
অডিওতে ধরা পড়েছে মহাসাগরের গভীরে প্রবল শব্দ। মনে করা হচ্ছে জলের চাপে টাইটান ডুবে যাওয়ার আগের মুহূর্তে এমন শব্দ তৈরি হয়েছিল। আটলান্টিক মহাসাগরে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে গিয়ে দুর্ঘটনার মুখে পড়েছিল টাইটান ডুবোযান। মৃত্যু হয় পাঁচ আরোহীর। কানাডার পূর্বে নিউ ফাউন্ডল্যান্ডের উপকূলে জাহাজ থেকে আটলান্টিকের গভীরে ডুব দিয়েছিল টাইটান।
মহাসাগরের গভীরে যেখানে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে, অভিযাত্রীদের সেই জায়গা ঘুরে দেখায় টাইটান। ওশানগেট সংস্থার তৈরি ওই ডুবোযান ২০২৩ সালের ১৮ জুন পাঁচ আরোহী নিয়ে সমুদ্রের ১৩ হাজার ফুট গভীরে নেমেছিল। যাত্রা শুরুর ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট পর থেকেই নিখোঁজ হয়ে যায় টাইটান। ডুবোযানটিতে ছিলেন ব্রিটিশ ধনকুবের হামিশ হার্ডিং, পাকিস্তানের ব্যবসায়ী শাহজাদা দাউদ এবং তাঁর ছেলে সুলেমান, ওশানগেট সংস্থার মুখ্য কর্মকর্তা স্টকটন রাশ এবং ফরাসি নাবিক পল হেনরি নারজিওলেট। পাঁচ জনেরই মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার পরই ছোট ডুবোযান টাইটানের পরিকাঠামো এবং পরিচালন পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। বিতর্কের মধ্যেই পরিচালক সংস্থাটি তাদের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিয়ে ফের টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে যাওয়ার আহ্বান জানায়। তার খরচ ধরা হয়েছিল ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার। যদিও ওই দুর্ঘটনার পর আর কেউই টাইটানে চেপে আটলান্টিকের গভীরে যেতে চাননি। ২০২৩ সালের জুনে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে মহাসাগরে নামে টাইটান। তবে নামার দু’ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে গভীর সমুদ্রে বিস্ফোরিত হয় এটি।
(Feed Source: news18.com)