বাংলাদেশে ২৯ মিলিয়ন ডলার দিয়েছিল আমেরিকা। সেই অর্থায়ন আপাতত বন্ধ করে দিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। তবে কাদের পকেটে সেই ২৯ মিলিয়ন ডলার গিয়েছিল? তার নেপথ্যে কি কোনও ষড়যন্ত্র আছে? এই সব প্রশ্ন এখন ঘুরঘুর করছে অনেকেরই মনে।
বাংলাদেশে ২৯ মিলিয়ন ডলার দিয়েছিল আমেরিকা। সেই অর্থায়ন আপাতত বন্ধ করে দিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। তবে কাদের পকেটে সেই ২৯ মিলিয়ন ডলার গিয়েছিল? তার নেপথ্যে কি কোনও ষড়যন্ত্র আছে? এই সব প্রশ্ন এখন ঘুরঘুর করছে অনেকেরই মনে।
1/6বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের বিদায়ের নেপথ্যে আমেরিকার হাত নেই বলে সম্প্রতি দাবি করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সেই আমেরিকারই আবার বাংলাদেশের রাজনৈতিক ‘দৃশ্যপট শক্তিশালী’ করতে ২৯ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছে বলে জানায় ইলন মাস্কের ডিপার্টমেন্ট অফ গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি। এই নিয়ে এবার বিস্ফোরক দাবি করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। (REUTERS)
2/6উল্লেখ্য, ইলন মাস্কের নেতৃত্বাধীন ডিপার্টমেন্ট অফ গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সির তরফ থেকে সম্প্রতি দাবি করা হয়েছিল, বাংলাদেশের রাজনীতি শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্র সরকার খরচ করেছিল ২৯ মিলিয়ন ডলার। পাশাপাশি DOGE-এর তরফ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে এও জানানো হয়, বাংলাদেশের জন্যে বরাদ্দ এই অনুদান বন্ধ করা হবে। এই আবহে স্বভাবতই কৌতুহল জন্মায়, এই যে ২৯ মিলিয়ন ডলার ছিল, সেটা কার পকেটে গিয়েছিল? তা নিয়ে এবার জবাব দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। (REUTERS)
3/6মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই নিয়ে সম্প্রতি বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট শক্তিশালী করার নামে এমন এক সংস্থাকে ২৯ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছিল, যার নাম আগে কেউ শোনেনি। সেখানে মাত্র দুজন কর্মী কাজ করেন।’ ট্রাম্পের এহেন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ইউএস এইডের অর্থায়ন নিয়ে চর্চা আরও বেড়ে গিয়েছে। (REUTERS)
4/6এর আগে বাংলাদেশে USAID-এর প্রকল্পগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ইউনুস সেই অনুদান চালুর আবেদন করলেও ট্রাম্প প্রশাসন এখনও তা কানে তোলেনি। এর আগে আবার সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসে আন্তর্জাতিক রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের একটি রিপোর্ট। যা তারা মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টে জমা করেছিল। (REUTERS)
5/6এনডিটিভি প্রফিটের রিপোর্ট অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের উল্লেখিত রিপোর্ট থেকেই বোঝা যাচ্ছে, কীভাবে হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে ফাঁদ পেতেছিল আমেরিকার একটা অংশ। এদিকে ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের নামে ‘রিপাবলিকান’ থাকলেও এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির কোনও যোগ নেই। এবং এই প্রতিষ্ঠানে অর্থ সাহায্য করত ইউএস এইড। (REUTERS)
6/6এরই মাঝে সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসের সঙ্গে ঢাকায় দেখা করেন মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি জ্যাকবসন। সেখানেই ফের মার্কিন সাহায্য চালুর জন্যে ট্রেসির কাছে আবেদন জানান মহম্মদ ইউনুস। তবে সেই অর্থ সাহায্য পুনরায় চালু করেনি ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। উলটে ইউএস এইডের ২৯ মিলিয়ন ডলারের এই অর্থায়নও বন্ধ করে দিল তারা। (REUTERS)
(Feed Source: hindustantimes.com)
