
এয়ারপোর্টে খাওয়ার কথা বললে এখনও আতঙ্কিত হয়ে ওঠেন অনেকেই। স্টেশন বা বাসস্ট্যান্ডের মতো স্বল্পমূল্যে খাবার সেখানে পাওয়া যায় না কারণ এয়ারপোর্টকে । সামান্য চা কফি থেকে সিঙাড়া, কেক, মায় জলের বোতল কিনতেও সাধারণ মধ্যবিত্তর পকেটে টান পড়ে। শখের ব্যাগ বা কোন উপহার সামগ্রী তো দূরের কথা, ইমারজেন্সি জিনিস কিনতে গেলেও, মধ্যবিত্ত পিছু হটে। কিন্তু এবার কি সেই মুশকিল আসান হতে চলেছে। তেমনটাই শোনা যাচ্ছে।
কেন্দ্রীয় অসামরিক পরিবহন মন্ত্রী রামমোহন নাইডু চেন্নাই এয়ারপোর্টে উদ্বোধন করলেন ‘উড়ান যাত্রী ক্যাফে’। যাত্রীদের সুবিধার্থে এবং আরও বেশি পরিমাণ যাত্রীকে এয়ারপোর্টমুখী করার প্রচেষ্টায় এই উদ্যোগ বলেই মনে করা হচ্ছে। কিন্তু এই উড়ান যাত্রী ক্যাফে আসলে কী? বিমানবন্দরে আসা সমস্ত যাত্রীদের জন্য সস্তায় ভালো মানের খাবারের ব্যবস্থাই হল উড়ান যাত্রী ক্যাফে। এতে যাত্রীদের সুবিধা হবে বলেই মনে করেছে এয়ারপোর্ট অথরিটি। এর আগে প্রথম উড়ান যাত্রী ক্যাফে উদ্বোধন হয়েছিল কলকাতায় এয়ারপোর্টে গত বছর ডিসেম্বর মাসে। এই ক্যাফে অল্পদিনের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে গিয়েছিল। সেই জনপ্রিয়তা এবং লাভজনক ব্যবসার কথা মাথায় রেখেই এখন আরও অন্যান্য এয়ারপোর্টে এই ক্যাফে খোলার কথা ভাবা হচ্ছে। যাত্রীদের দাবির কথা মাথায় রেখে ভারতবর্ষের অন্যান্য আরও অনেক এয়ারপোর্টে এই ক্যাফে চালু করা হচ্ছে।
একবার দেখে নেওয়া যাক এই ক্যাফে খাবারের দাম কেমন। অপরিহার্য কিছু জিনিস যেমন জলের বোতল ১০ টাকা, চা ১০ টাকা কফি কুড়ি টাকা, সিঙারা ২০ টাকা,মিষ্টি ২০ টাকা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এর আগে বারবার বলেছেন যাত্রী-সুবিধা, যাত্রীদের সহযোগিতা, এবং যাত্রীরা যাতে নিরাপদে এবং স্বছন্দে ভ্রমণ করতে পারে, সরকার তা নিশ্চিত করবে তাহলে আর চিন্তা কী? এবার স্টেশনের মতোই ভ্রমণ করুন এয়ারপোর্টেও।
(Feed Source: zeenews.com)
