বাপ কা বেটা! বাবা খেলতেন ইস্টবেঙ্গল, লাল-হলুদ জার্সিতে মাঠ কাঁপাচ্ছেন ছেলে

বাপ কা বেটা! বাবা খেলতেন ইস্টবেঙ্গল, লাল-হলুদ জার্সিতে মাঠ কাঁপাচ্ছেন ছেলে

বাবার পথেই পা রেখেছেন ছেলে। ছোট বয়সেই বাবার হাত ধরে ফুটবলযাত্রা শুরু করছিলেন, এবার বাবার ক্লাবেই নাম লেখালেন ভারতের তারকা ফুটবলার মেহরাজউদ্দিন ওয়াদুর ছেলে আহমেদ ওয়াদু। বাবা ছিলেন এক সময় ভারতের নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার। ভারতের জার্সি পরে খেলার পাশাপাশি তিন প্রধানের হয়েও খেলছিলেন মেহরাজউদ্দিন ওয়াদু।

মেহরাজউদ্দিন খেলেছেন মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল ও মহমেডানের হয়ে। কলকাতার ময়দানে নিজের প্রতিভার ছাপ রেখেছিলেন কাশ্মীরি ফুটবলার মেহরাজ। অনেক বড় ম্যাচে একাই নজর কেড়ে নিয়েছিলেন। সেই মেহরাজের ছেলেই এবার ইস্টবেঙ্গল জার্সি গায়ে ময়দানে নামলেন।

ফুটবলের প্রতিভা যে বংশ পরম্পরায় চলে এসেছে সেটাই প্রমাণ করল ওয়াদু পরিবার। তবে মেহরাজউদ্দিন ওয়াদু যেমন রক্ষণে খেলতেন তেমন ডিফেন্সে খেলেন না তাঁর ছেলে মহম্মদ আহমেদ ওয়াদু। মেহরাজের ছেলে দক্ষ আক্রমণকারী মিডফিল্ডার। বর্তমানে আহমেদ ওয়াদুর বাবা মেহরাজউদ্দিন আইএসএলে মহমেডান স্পোর্টিংয়ের কোচিং দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।

এদিকে এই বছরেই ইস্টবেঙ্গলের অনূর্ধ্ব-১৩ দলে যোগ দিয়েছে মেহরাজের ছেলে আহমেদ। বাবা রক্ষণ সামলানোর জন্য পরিচিত হলেও, আহমেদের পছন্দ আক্রমণাত্মক ফুটবল। ডান প্রান্ত থেকে খেলা গড়ে তোলার দক্ষতা রয়েছে তার। ফেডারেশনের অনূর্ধ্ব-১৩ সাব-জুনিয়র লিগে অ্যাডামাস ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে খেলেছিলেন এবং গোলও করেছিলে। দলের ৩-১ ব্যবধানে জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন আহমেদ। বর্তমানে ফেডারেশনের অনূর্ধ্ব-১৩ সাব জুনিয়র লিগে মোহনবাগানের পরে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইস্টবেঙ্গলই।

২০০৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণভাগ সামলেছেন মেহরাজ। তার আগে ২০০৪ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত মোহনবাগানের হয়ে খেলেন। পরে আবার ২০১২-১৩ মরশুমে সবুজ-মেরুনের জার্সিতে মাঠে নামেন। মহমেডানের হয়েও খেলেছেন তিনি। আইএসএলে চেন্নাইয়িন এফসি ও মুম্বই সিটি এফসির হয়ে অভিজ্ঞতা রয়েছে ভারতের এই প্রাক্তন ফুটবলারের।

বাবা-ছেলের একই দলের জার্সি গায়ে চাপানোর নজির খুব বেশি দেখা যায় না। যদিও আহমেদ এখনও জুনিয়র পর্যায়ে, তবু লাল-হলুদ রং বাবা-ছেলেকে এক সূত্রে বেঁধেছে। ফুটবলে নতুন তারকা হয়ে ওঠার পথে এগিয়ে চলেছে আহমেদ, আর দূর থেকে তার অগ্রগতি দেখছেন গর্বিত বাবা মেহরাজউদ্দিন ওয়াদু।

(Feed Source: hindustantimes.com)