
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: মন্দিরের দেশ এই ভারত। শুধু তাই নয়, দেশের বহু মন্দির এমন রয়েছে যার অলৌকিকত্ব চমকে দেবে আপনাকে। তামিলনাড়ুর কালানসুন্দরেশ্বর মন্দির এমনই এক মন্দির। এই মন্দিরের শিবলিঙ্গ দিনে পাঁচবার তার রঙ বদল করে। এর পেছনে কী বৈজ্ঞানিক কারণ রয়েছে তা এখনও উদ্ধার করা যায়নি।
নাল্লুরের এই কালানসুন্দরেশ্বর শিব মন্দিরে রোজই মানুষের ঢল নামে। মন্দিরের গঠনশৈলী ও ভাস্কর্য পুণ্যার্থীদের মন টানে। তাঞ্জাভুর থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার দূরের এই নাল্লুর পর্যটকদের বিশেষ আকর্ষণের জায়গা কারণ শুধু মন্দির নয়, এক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যও। নাল্লুরে ওই শিবমন্দির ছাড়াও আরও বহু মন্দির রয়েছে। সেইসব মন্দির দেখতে ভিড় জমান মানুষজন।
এলাকার প্রায় সব ধর্মের মানুষ মনে করেন কালানসুন্দরেশ্বর মন্দিরের দেবতার আশ্চর্য ক্ষমতা রয়েছে। এই মন্দিরের এলে মানুষের মনের ইচ্ছে পূরণ হয়। জীবন ভরে ওঠে সাফল্য ও প্রাচুর্যে।
মন্দির ছাড়াও নাল্লুরের একটি ঐতিহাসিক গুরুত্বও রয়েছে। কালানসুন্দরেশ্বর মন্দির প্রায় হাজার বছর পুরনো। এটি তৈরি করেছিলেন মহারাজা রাজেন্দ্র চোল। তখন থেকেই এটি ভক্তদের কাছে সমান জনপ্রিয়। এই মন্দির ব্ল্যাক পাগোডা নামেও পরিচিত।
সকালে এই দেবতার পুজো হয় সকাল ৮ টায়। সেইসময় শিব দেখা দেন বৈদ্যনাথ রূপে। এইসময় শিবকে সোনার মুকুট পরিয়ে দেওয়া হয়। তাঁর হাতে থাকে তীর ধনুক। এইসময় নন্দী উত্তর কিংবা পূর্ব দিকে মুখ করে থাকেন।
সকালে শিবলিঙ্গের রঙ হয় কালো। বেলা বারোটা নাগাদ এটি হয়ে যায় সাদা। বিকেল তিনটে থেকে সন্ধে সাতটা পর্যন্ত এটির রঙ হয়ে যায় লাল। সন্ধে আটট নাগাদ এটির রঙ হয় হালকা নীল। রাত এগারোটা নাগাদ এটির রঙ হয়ে যায় উজ্জ্বল নীল।
(Feed Source: zeenews.com)
