
দুবাই: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (Champions Trophy 2025) আগে তাঁর ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি শুরু হতেই একের পর এক বড় ইনিংস খেলে সমস্ত সমালোচনা থামিয়ে দিয়েছেন বিরাট কোহলি। মঙ্গলবারও যিনি অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে ৮৪ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে ম্যাচের সেরা হলেন। সেঞ্চুরিও হতে পারত, যদি না তিনি অ্যাডাম জাম্পার বলে স্লগ স্যুইপে বাউন্ডারি মারতে যেতেন।
ম্যাচের সেরার পুরস্কার হাতে কোহলি বলেছেন, ‘এই ম্যাচটা পাকিস্তান ম্যাচের মতোই ছিল। আমার কাছে জরুরি ছিল প্রাথমিক ব্যাপারগুলোয় জোর দেওয়া আর সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া। আমি স্ট্রাইক রোটেট করছিলাম, কারণ এই উইকেটে পার্টনারশিপ গড়ে তোলা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সেদিনের মতো আজও আমার লক্ষ্য ছিল পার্টনারশিপ গড়ে তোলা। যে সময় আমি আউট হই, লক্ষ্য ছিল আরও ২০ রান যোগ করার। আর ২ ওভারের মধ্যে ম্যাচটা শেষ করতে চেয়েছিলাম। এভাবেই আমি সাধারণত ব্যাট করে থাকি। তবে মাঝে মধ্যে যা পরিকল্পনা করি, মাঠে তা প্রয়োগ করা যায় না।’
সবচেয়ে কিসে বেশি তৃপ্তি পেয়েছেন? কোহলি বলছেন, ‘যেভাবে বল টাইমিং করতে পারছিলাম। ক্রিজে যেরকম দৃঢ়তা দেখিয়েছি। আমি একবারও মরিয়া হয়ে শট খেলতে যাইনি। খুচরো রান নিয়েই খুশি ছিলাম। ব্যাটার হিসাবে যদি ফিল্ডিংয়ের ফাঁক খুঁজে সিঙ্গলস নিতে পারো, তা হলে জানবে তুমি ভাল ক্রিকেট খেলছো। তখনই বড় একটা পার্টনারশিপ তৈরি হয়। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে এবং আজকে এটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি সন্তুষ্ট করেছে।’
ব্যাটিং করার সময় কি ওভার সংখ্যা গুণতে হয় তাঁকে? কোহলি বলছেন, ‘এই ম্যাচটা চাপের ম্যাচ ছিল। বিশেষ করে সেমিফাইনাল ও ফাইনালের মতো বড় ম্যাচ। হাতে উইকেট রেখে ম্যাচটা টানতে পারলে প্রতিপক্ষ দল বশ্য়তা স্বীকার করে আর ম্যাচটা সহজ হয়ে যায়। ম্য়াচ চলাকালীন প্রবৃত্তিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করাটা গুরুত্বপূর্ণ। আমার কাছে কত ওভার আর কত রান বাকি আছে জানাটা গুরুত্বপূর্ণ। যদি আর ২৫-৩০ রান বাকি থাকে আর ওভার প্রতি ৬ রান করেও বাকি থাকে, হাতে ৬-৭টি উইকেট থাকলে আমি পরোয়া করি না।’
ওয়ান ডে ক্রিকেটে কি নিজের সেরা সময় যাচ্ছে? কোহলি বলছেন, ‘আমি জানি না, সেটা দেখা আপনাদের কাজ। আমি এসব নিয়ে কখনওই ভাবিনি। এসব নিয়ে কখনও কথাও বলিনি। মাইলফলক নিয়ে না ভাবলে দলের জয়ের সঙ্গে সঙ্গে সেগুলো এমনিই হয়ে যায়। আমি দলের হয়ে দায়িত্ব পালন করতে পারলেই গর্বিত হই। আমার কাছে বাকি আর কিছু গুরুত্ব পায় না। শুধু মাঠে গিয়ে দলের হয়ে দায়িত্ব পালন করাটাই আমার কাছে সব।’
(Feed Source: abplive.com)
