Marriage Chaos: বউ-এর কপালে সিঁদুর দিতে গিয়ে কাঁপে বরের হাত! ব্যাস, বিয়ে ছেড়ে উঠে গেল পাত্রী, তারপর যা হল…

Marriage Chaos: বউ-এর কপালে সিঁদুর দিতে গিয়ে কাঁপে বরের হাত! ব্যাস, বিয়ে ছেড়ে উঠে গেল পাত্রী, তারপর যা হল…

Marriage Chaos: এক অদ্ভুত ঘটনা এবার প্রকাশ্যে এসেছে। বিয়ের পর পাত্রীকে সিঁদুর দেওয়ার সময় কেঁপে গিয়েছিল পাত্রের হাত। আর তাতেই বিয়ে করতে নারাজ পাত্রী। পাত্র কী করলেন জানেন, বিস্তারিত পড়ুন…

বউ-এর কপালে সিঁদুর দিতে গিয়ে কাঁপে বরের হাত! ব্যাস, বিয়ে ছেড়ে উঠে গেল পাত্রী, তারপর যা হল…

ধৌলপুর: রাজস্থানের ধৌলপুরের কোতোয়ালি থানা এলাকার হাউসিং বোর্ড কলোনিতে একটি বিয়ের আসরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। সমস্ত ঘটনাটি রীতিমতো চমকে দেওয়ার মতোই।

বিয়ের সমস্ত রীতিনীতি শেষ হওয়ার পর যখন বর কনেকে সিঁদুর দিতে যায়, তখন তার হাত কাঁপতে থাকে। এই দৃশ্য দেখে কনে সঙ্গে সঙ্গে বিয়ে করতে অস্বীকার করে। কনে ও বর পক্ষের আত্মীয়রা কনেকে বোঝানোর অনেক চেষ্টা করেন, তবে সে নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে। শেষমেশ বর এবং বরযাত্রীরা কনেকে ছাড়াই ফিরে যেতে বাধ্য হয়।

কনের পরিবার জানিয়েছে যে এই বিয়ে করৌলি জেলায় নির্ধারিত হয়েছিল। বর যখন শুক্রবার তার বরযাত্রী নিয়ে কনের বাড়িতে পৌঁছায়, তখন বিয়ের সমস্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। তবে, কনে জানায় যে বিয়ের সময় বর অদ্ভুত আচরণ করছিল এবং তার শরীর কাঁপছিল। বিশেষ করে, যখন সে সিঁদুর দিতে যায়, তখন তার হাত এতটাই কাঁপছিল যে সে সিঁদুর ঠিকমতো দিতেই পারেনি। এই ঘটনায় কনে সন্দেহ প্রকাশ করে এবং সঙ্গে সঙ্গে বিয়েতে রাজি না হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

এই ঘটনায় বিয়ে বাড়ির পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বর ও কনের আত্মীয়রা অনেক বোঝানোর চেষ্টা করলেও কনে বরকে স্বামী হিসেবে গ্রহণ করতে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকলে ঘটনাস্থলে কোতোয়ালি থানার পুলিশকে ডাকা হয়। পুলিশও বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করে, কিন্তু কনে তার সিদ্ধান্ত বদলাতে রাজি হয়নি। কনের ইচ্ছার প্রতি সম্মান জানিয়ে শেষমেশ পুলিশ বর ও বরযাত্রীদের খালি হাতে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়।

এই ঘটনার পর বর প্রদীপ জানিয়েছে যে কনে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে। তিনবার দেখার পর এই বিয়ে ঠিক হয়েছিল। বর দাবি করেছে যে সকালে প্রবল ঠান্ডা পড়ছিল, যার কারণে তার শরীর কাঁপছিল। তার মতে, কনের পরিবার অযথা এই বিয়ে ভাঙার চেষ্টা করেছে এবং কনের বিদায় দিতে অস্বীকার করেছে।

এদিকে, কনের বাবা জানিয়েছেন যে মেয়ের কথামতো বর অসুস্থ বলে মনে হচ্ছিল। তাই তিনি মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে তাকে বর-এর সঙ্গে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেননি। মেয়ের সুখের কথা মাথায় রেখেই এই বিয়ে বাতিল করা হয়েছে বলে তিনি জানান।