
International Women’s Day 2025: প্রতি বছর মহিলাদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে পালন করা হয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস। ৮ মার্চ এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করা হয়। তবে দিনটির নেপথ্যে ছিল একটি বিশেষ ঘটনা। একদিনে এই বিশেষ দিন উদযাপন শুরু হয়নি। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের দাবি দীর্ঘদিন ধরে ঘনীভূত হচ্ছিল। ১৯০০ সালের গোড়া থেকে নানা ঘটনা এই বিষয়ে ইন্ধন জোগাতে শুরু করে। নারী দিবসের প্রাক্কালে ফিরে দেখা সেই ইতিহাস।
কর্মক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার
১৯০০ সালের গোড়া থেকেই কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের সংখ্যা বাড়তে শুরু করে পশ্চিমের বিভিন্ন দেশে। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে নানারকম বৈষম্যের শিকারও হতে হত অনেককে। এই লিঙ্গ বৈষম্য ও অশালীন আচরণের বিরুদ্ধেই ধীরে ধীরে ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হতে শুরু করে। এছাড়াও তাদের ছিল না ভোটাধিকার। যা ক্ষোভের আরেকটি বড় কারণ।
১৫ হাজার নারীর মিছিল
১৯০৮ সাল নাগাদ পরিস্থিতি বেশ উত্তেজিত হয়ে ওঠে। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বৈষম্যমূলক আচরণের বিরুদ্ধে সংগঠিত হতে শুরু করেন নারীরা। ওই বছর নিউইয়র্কে ১৫ হাজার নারীর একটি মিছিল বার হয়। কর্মক্ষেত্রে সুযোগ্য বেতন দেওয়ার পাশাপাশি ভোটাধিকারের দাবি নিয়ে সরব হন তাঁরা।
প্রথম জাতীয় নারী দিবস
১৯০৯ সাল নাগাদ আমেরিকাতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল সোশালিস্ট পার্টি অব আমেরিকা। দলটির প্রতিষ্ঠা দিবসের দিন প্রথম উদযাপিত হল নারী দিবস। তবে সেটি ছিল জাতীয় নারী দিবস। ২৮ ফেব্রুয়ারি ওই দিনটি উদযাপন করা হয়।
আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে সিদ্ধান্ত
১৯১০ সালে ওয়ার্কিং উম্যানদের একটি আন্তর্জাতিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয় কোপেনহেগেনে। জার্মানির সোশাল ডেমোক্রেটিক পার্টির উমেনস অফিসের নেত্রী ক্লারা জেটকিন ওই কনফারেন্সে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের প্রস্তাব রাখেন। প্রতিটি দেশের প্রতি বছর একই দিনে নারী দিবস পালন করা উচিত, এমনটাই ছিল প্রস্তাব। ১৭ টি দেশ থেকে মোট ১০০ জনের বেশি মহিলা যোগ দিয়েছিলেন ওই কনফারেন্সে। সর্বসম্মতিক্রমে ওই প্রস্তাব গৃহীত হয়। এর পর ১৯১১ সাল। কোপেনহেগেনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অস্ট্রিয়াতে প্রথম উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস। এর আগে পর্যন্ত প্রতি ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ রবিবার ছিল নারী দিবসের উদযাপনের রীতি। ১৯১৪ সাল থেকে ৮ মার্চ তারিখকে বেছে নেওয়া হয় নারী দিবস হিসেবে।
(Feed Source: news18.com)
