
FIFA World Cup Asian qualification football match: বাহরিনকে ২-০ গোলে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়া প্রথম দেশ হয়েছে জাপান। যারা বাছাইপর্বের মাধ্যমে কোয়ালিফাই করেছে। সাইতামায় অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে ক্রিস্টাল প্যালেসের দাইচি কামাদা এবং রিয়াল সোসিয়েদাদের তাকেফুসা কুবো গোল করে দলকে জয়ী করেন এবং কানাডা, মেক্সিকো এবং যুক্তরাষ্ট্র আয়োজক হওয়ায় বিশ্বকাপে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে। তবে বাছাইপর্বের মাধ্যমে বিশ্বকাপে পৌঁছানো প্রথম দল হল সামুরাই ব্লু।
কীভাবে ২০২৬ বিশ্বকাপে জায়গা করল জাপান?
যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডায় অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ বিশ্বকাপে স্বাগতিক দেশগুলোর বাইরে থেকে প্রথম দল হিসেবে জায়গা নিশ্চিত করল জাপান। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাইতামা স্টেডিয়ামে বাহরিনকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিত করল সামুরাই ব্লু। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে ক্রিস্টাল প্যালেসের দাইচি কামাদা এবং রিয়াল সোসিয়েদাদের তাকেফুসা কুবো গোল করেন।
জাপানের সাফল্যের বড় ছবি
এএফসি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের তৃতীয় রাউন্ডে সাতটি ম্যাচের মধ্যে ছয়টিতে জয় এবং একটি ম্যাচে ড্র করেছে জাপান। একমাত্র অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তারা পয়েন্ট ভাগাভাগি করেছিল। গ্রুপ সি-তে থাকা সকারুজ (অস্ট্রেলিয়া) দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এবং বিশ্বকাপে সরাসরি কোয়ালিফাই করার দ্বিতীয় স্থানের দৌড়ে অন্যান্য দলগুলোর থেকে চার পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছে।
জানেন কি সাফল্যের বিচারে দক্ষিণ কোরিয়ার পরেই জাপান?
১৯৯৮ সালে প্রথম বিশ্বকাপে খেলার পর থেকে টানা সাতবার বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করেছে জাপান। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি অংশগ্রহণ করা এশীয় দেশগুলোর মধ্যে তারা এখন দক্ষিণ কোরিয়ার পরেই রয়েছে।
এখন জাপানের সামনে কী?
এখন বাছাইপর্বের চাপ ছাড়াই দলকে আরও শক্তিশালী করার দিকে মনোযোগ দিতে পারবে জাপান। ১১ জুন, ২০২৬-এ শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপের জন্য তারা এখন প্রস্তুতি নেওয়ার অনেকটা সুযোগ পাবে।
জাপান ফুটবলের সঙ্গে কলকাতা ও ভারতের যোগ-
জাপান দেশের একাধিক ফুটবলার ভারতের মাটিতে খেলে গিয়েছেন। কাতসুমি কলকাতায় খেলতেন। সুয়েকাও এখানে খেলে গিয়েছেন। ফলে জাপানের ফুটবলারদের সঙ্গে ভারত ও কলকাতার একটা আলাদা যোগ রয়েছে। ফলে বলা যেতেই পারে জাপানের এই সাফল্য়ে কলকাতা ও ভারতের অনেকেই গর্বিত হবেন।
সবার আগে জাপান ২০২৬ বিশ্বকাপে জায়গা করল
এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (AFC) ৪৮-দলের এই বিশ্বকাপে আটটি নিশ্চিত স্থান পেয়েছে, পাশাপাশি একটি অতিরিক্ত স্থান আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। বাছাইপর্বের তৃতীয় রাউন্ডে ১৮টি দল তিনটি গ্রুপে বিভক্ত ছিল, যেখানে প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুই দল সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়েছে। আর তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে থাকা দলগুলো চতুর্থ রাউন্ডে লড়বে বিশ্বকাপের বাকি জায়গাগুলোর জন্য।
বাছাই পর্বে জাপানের সাফল্য
হাজিমে মরিয়াসুর কোচিংয়ে জাপান ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে পৌঁছেছিল, তবে ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের। ২০২৬ বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের দ্বিতীয় রাউন্ডে তারা ছয় ম্যাচের সবকটিতে জিতেছে এবং তৃতীয় রাউন্ডেও অপরাজিত থেকে ছয়টি জয় ও এক ড্র করেছে।
জাপান টানা অষ্টমবার বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করল
জাপানের শুরুর একাদশে ছিলেন লিভারপুলের মিডফিল্ডার ওয়াতারু এন্ডো, ব্রাইটনের কাওরু মিতোমা এবং টাকুমি মিনামিনো, যিনি ২০২০ সালে লিভারপুলের হয়ে প্রিমিয়ার লিগ জিতেছিলেন। এই জয়ের মাধ্যমে জাপান টানা অষ্টমবার বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করল। দ্বিতীয় স্থানে থাকা অস্ট্রেলিয়া বাহরিনকে ৫-১ গোলে হারালেও জাপানের থেকে তারা ৯ পয়েন্ট পিছিয়ে রয়েছে।
(Feed Source: hindustantimes.com)
