Jadavpur University: ‘শিক্ষামন্ত্রী প্রশাসনিক পদ, রাজনৈতিক পদ নয়’, আদালতের পর্যবেক্ষণে যা বললেন যাদবপুরের উপাচার্য

Jadavpur University: ‘শিক্ষামন্ত্রী প্রশাসনিক পদ, রাজনৈতিক পদ নয়’, আদালতের পর্যবেক্ষণে যা বললেন যাদবপুরের উপাচার্য

Jadavpur University: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান-সেমিনারে শর্ত চাপিয়েছে হাইকোর্ট। কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নিয়ে অনুষ্ঠান, সেমিনার করা যাবে না। অনুষ্ঠান বা সেমিনারে থাকবে না কোনও বহিরাগত। শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, নন টিচিং স্টাফ, বর্তমান ও প্রাক্তন পড়ুয়াদের নিয়েই সেমিনার বা অনুষ্ঠান করতে হবে। এমনটাই নির্দেশ প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের

কলকাতা: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান-সেমিনারে শর্ত চাপিয়েছে হাইকোর্ট। কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নিয়ে অনুষ্ঠান, সেমিনার করা যাবে না। অনুষ্ঠান বা সেমিনারে থাকবে না কোনও বহিরাগত। শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, নন টিচিং স্টাফ, বর্তমান ও প্রাক্তন পড়ুয়াদের নিয়েই সেমিনার বা অনুষ্ঠান করতে হবে। এমনটাই নির্দেশ প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের।

অন্যদিকে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ কী কী পদক্ষেপ করছে, ৩ সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা দিয়ে জানাতে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি টি এস শিবাজ্ঞানম ও বিচারপতি চৈতালী চট্টোপাধ্যায় দাসের ডিভিশন বেঞ্চে দায়ের হওয়া একটি জনস্বার্থ মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এই নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনও রাজনৈতিক নেতা বা ব্যাক্তিত্ত্বকে নিয়ে আপাতত কোনও মিটিং মিছিল করা যাবে না, এমনটাই নির্দেশ প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের। কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী সোহম দাস মামলা দায়ের করে বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত সিসিটিভি লাগানো ও পুলিশ পিকেট বসানোর আবেদন জানিয়েছিলেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের কোনও অনুষ্ঠান যাতে না করা হয়, সেই আবেদনও জানান।

আদালতের পর্যবেক্ষণের পরিপ্রেক্ষিতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ভাস্কর গুপ্ত বলেন, ”রাজনৈতিক কর্মসূচি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কখনওই করা হয়না। ১ মার্চ শিক্ষামন্ত্রীর আসা আমরা রাজনৈতিক কর্মসূচি বলতে পারি? শিক্ষামন্ত্রী প্রশাসনিক পদ, রাজনৈতিক পদ নয়। প্রশাসনিক পদ হিসেবে তো তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ে সবসময় স্বাগত জানাতেই হয়। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের যিনি প্রতিষ্ঠাতা, ত্রিগুনা সেন, তিনিও তো শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে কাজ করেছেন। আমি এখনও হাইকোর্টের কপি দেখিনি। আমরা লিখিতে ভাবে যা জানানোর জানাব। আমি এখনই এ’কথা বলব না, যে আমি সন্তুষ্ট না অসন্তুষ্ট। যা বলার লিখিতভাবেই বলব।”

ভাস্কর গুপ্ত আরও বলেন, ” বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে কিন্তু আমার পারমিশন ছাড়াও পুলিশ থাকতেই পারে। গেটে পুলিশ থাকবে কি থাকবে না, সেটা আমাদের উপর নির্ভর করে না। আমাদের নিরাপত্তারক্ষীদের প্রশিক্ষণ হয়। আমাদের নিরাপত্তারক্ষীরা অনেকেই অবসর নিয়েছেন। যাদবপুরের ইতিহাসটাও মনে রাখতে হবে। প্রথম যাদবপুরে নিরাপত্তারক্ষী এসেছে আজাদ হিন্দ ফৌজ থেকে। সেই ধারা কিন্তু যাদবপুরে এখনও প্রবাহমান। কিন্তু সংখ্যায় সমস্যা হচ্ছে এটা সত্যি। আমরা রাজ্য সরকারকে জানিয়েছি। বেশ কিছু নিরাপত্তা রক্ষী নিয়োগ করার ব্যাপারে রাজ্য সরকারের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি সংখ্যা বাড়বে।”