প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা! সুস্বাদু খাবার ভেবে চিবিয়ে খেলো পোষা কুকুর…বমি করানোর চেষ্টা চলল, তার পর?

প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা! সুস্বাদু খাবার ভেবে চিবিয়ে খেলো পোষা কুকুর…বমি করানোর চেষ্টা চলল, তার পর?
আমেরিকার পেনসিলভানিয়ায় ক্যারি ল ও ক্লেটনের পোষ্য কুকুর সেসিল ৪,০০০ ডলার (প্রায় ৩.৩২ লক্ষ টাকা) চিবিয়ে খেয়ে ফেলে। ঘটনাটি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করলে তা ভাইরাল হয়।

কল্পনা করুন, যদি কেউ আপনার কষ্টার্জিত টাকা চকোলেট ভেবে চিবিয়ে খেয়ে ফেলে? এমনই এক অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটেছে আমেরিকার পেনসিলভানিয়ায়, যেখানে ক্যারি ল ও তাঁর সঙ্গী ক্লেটনের পোষ্য কুকুর একটি গোটা বান্ডিল টাকা খেয়ে ফেলেছে! যার পরিমাণ ৪,০০০ ডলার (প্রায় ৩.৩২ লক্ষ টাকা)!

ক্যারি ও ক্লেটনের পোষ্য কুকুরটির নাম সেসিল, বয়স সাত বছর। তারা স্নেহের সঙ্গে কুকুরটিকে পরিবারের সদস্যের মতোই রাখেন। কিন্তু গত মাসে এমন এক ঘটনা ঘটল, যা তাদের হতবাক করে দেয়। ক্যারি জানিয়েছিলেন, জরুরি কাজে ব্যবহারের জন্য তিনি ৪,০০০ ডলার একটি খামে রেখে দিয়েছিলেন রান্নাঘরের কাউন্টারে। তিনি ভাবতেও পারেননি যে তাঁদের বিশ্বস্ত পোষ্য এটিকে খাবার ভেবে চিবিয়ে ফেলবে!

ঘটনার দিন কী হয়েছিল?

ক্যারি ও ক্লেটন বাড়ির অন্য ঘরে ছিলেন। হঠাৎ ক্লেটন চিৎকার করে বলেন, “সেসিল টাকা খেয়ে ফেলেছে!” প্রথমে ক্যারি বিশ্বাস করতে পারেননি। কিন্তু রান্নাঘরে গিয়ে দেখেন, টাকার খাম ছেঁড়া পড়ে আছে, আর চারদিকে ছড়িয়ে আছে চিবোনো টাকার টুকরো!

যখন বুঝতে পারলেন, সেসিল টাকা গিলে ফেলেছে, তখন ক্যারি ও ক্লেটন তাকে বমি করানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু কোনওভাবেই টাকা বেরিয়ে আসেনি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তাঁরা টাকার কোনও চিহ্ন পেলেন না। অবশেষে, তাঁরা পশুচিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ডাক্তার পরীক্ষা করে জানান, সেসিল একেবারে সুস্থ আছে। ডাক্তার আরও বলেন, অনেক সময় কুকুর এমন কিছু খেয়ে ফেলে যা হজম হয় না, পরে তা স্বাভাবিকভাবেই শরীর থেকে বেরিয়ে আসে।

ঘটনার ভিডিও ভাইরাল!

ক্যারি ল এই ঘটনাটি ইনস্টাগ্রামে @ooolalaw অ্যাকাউন্ট থেকে শেয়ার করেন। মুহূর্তের মধ্যে এটি ভাইরাল হয়ে যায়, ২.৫ লক্ষেরও বেশি ভিউস পায়। নেটিজেনরা মজার মজার মন্তব্য করতে থাকেন। কেউ বলেন, “সেসিল তো কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখছিল!” কেউ আবার লেখেন, “ওকে এবার ব্যাঙ্কে চাকরি দেওয়া হোক, কারণ ওর টাকা-প্রেমই আলাদা!”

তবে ক্যারি ও ক্লেটনের কাছে এটি ছিল একেবারেই হাসির ব্যাপার নয়! তাদের কষ্টার্জিত টাকা কী ভাবে উদ্ধার করা যাবে, সেটাই ছিল সবচেয়ে বড় চিন্তার বিষয়!