
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: এখনও কি ধ্বংসস্তূপের নীচে কোনও প্রাণ আছে? সেই সন্ধানেই কাজ করছে রেসকিউ টিম। মায়ানমার-ব্যাংককের ভূমিকম্প সাম্প্রতিক কালের অন্যতম ভয়ংকর ভূমিকম্প। রিখটার স্কেলে ৭.৭ ও ৬.৪ মাত্রার কম্পন ছিল। তার পরেও বার বার কেঁপে উঠেছিল মায়ানমার। টানা ২৪ ঘণ্টায় মোট ৬ বার কেঁপেছে সে দেশের একটা বিশাল অংশ।
২৮ মার্চের ভূমিকম্পের পরে মায়ানমার সেনার তরফে শনিবার পর্যন্ত বলা হয়েছিল, তখনও পর্যন্ত ৬৯৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এই ভয়াবহ ভূমিকম্পে। যদিও এক মার্কিন সংস্থার আশঙ্কা ছিল, মৃতের সংখ্যা ১০ হাজারও ছাড়িয়ে যেতে পারে। তবে রবিবারই লাফিয়ে বেড়েছিল মৃতের সংখ্যা। সংখ্যাটা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল। তখনও পর্যন্ত মারা গিয়েছিলেন ১৬৪৪ জন! আহত হয়েছিলেন প্রায় সাড়ে তিনহাজার মানুষ– ৩৪০৮ জন!
তবে সর্বশেষ পাওয়া খবরে জানা যাচ্ছে, সেদেশে ভূমিকম্পে মারা গিয়েছেন ২০০০-এরও বেশি মানুষ– ২০৫৬! আহত প্রায় ৩৯০০ জন! এখনও ২৭০ জন নিখোঁজ। ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে-পড়া অন্তত ৮০ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
এই ভূমিকম্পে ধসে পড়েছে রাস্তা, ভেঙে পড়েছে বাড়িঘর। বাদ যায়নি সেতু ও প্য়াগোডা। মায়ানমারের রাজধানীর ধংসস্তূপ দেখলে বোঝা যায়, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কী হতে পারে! বহু দেশই মায়ানমারের পাশে দাঁড়িয়েছে। দাঁড়িয়েছে ভারতও। ত্রাণসামগ্রী ওষুধপত্র ইত্যাদি নিয়ে ভারত চলে গিয়েছে সেদেশে। কিন্তু, সমস্যা হল সে দেশের পরিস্থিতি। রাস্তাঘাট নেই। চারিদিকে ধ্বংসস্তূপ। ত্রাণের কাজ বা সেবার কাজ কী ভাবে সম্ভব এই পরিস্থিতিতে?
প্রসঙ্গত, এত কিছুর পরেও জীবন যে অপরাজেয়, তা বিধ্বস্ত মায়ানমারই যেন নতুন করে মনে করাল। ভূমিকম্পে ভেঙে পড়া দেশটিতে বিপুল ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই শিশুর জন্মও দিয়েছেন প্রসূতিরা! শোক কান্না দুঃখের মধ্যেও আশ্চর্য সুন্দর ছবি। অন্তত ২৩ হাজার মানুষ এখন মায়ানমারে ত্রাণের উপর নির্ভর করে বেঁচে আছেন।
(Feed Source: zeenews.com)
