False Murder Case India: স্ত্রীকে খুনের অভিযোগে ১.৫ বছর জেলে কাটালেন সুরেশ। পরে দেখা গেল স্ত্রী জীবিত ও অন্য পুরুষের সঙ্গে সংসার করছেন। জানুন পুরো ঘটনাটি…
স্ত্রীকে খুনের অভিযোগে ১.৫ বছর জেল, পরে দেখা গেল সেই স্ত্রী জীবিত, ঘুরে বেড়াচ্ছেন অন্য পুরুষের সঙ্গে! পুলিশের ভুলে ফাঁসলেন ব্যক্তি…AI Image
কোডাগু: কর্ণাটকের কোডাগু জেলার কুশলনগরের বাসিন্দা সুরেশ নামক এক ব্যক্তি তাঁর স্ত্রী মল্লিগের নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ দায়ের করেন ২০২০ সালের ডিসেম্বরে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে, পুলিশ বেট্টদারাপুরা অঞ্চলে এক মহিলার কঙ্কাল উদ্ধার করে দাবি করে এটি মল্লিগেরই। এরপরই সুরেশকে স্ত্রীর হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার করে এবং প্রায় দেড় বছর তিনি জেলে থাকেন।
পরে জানা যায়, DNA টেস্টের রিপোর্টে কঙ্কালের সঙ্গে মল্লিগের পরিবারের নমুনার কোনও মিল নেই। কিন্তু এর আগেই পুলিশ চার্জশিট জমা দিয়ে দেয় এবং সুরেশের বিরুদ্ধে মামলা শুরু হয়।
১ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে, সুরেশের এক বন্ধু মাদিকেরিতে এক হোটেলে মল্লিগেকে অন্য এক পুরুষের সঙ্গে দেখেন। তখনই বিষয়টি আদালতে জানানো হয়। আদালতের নির্দেশে মল্লিগেকে হাজির করা হলে, সে স্বীকার করে যে সে পালিয়ে গিয়ে অন্য এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেছে এবং সুরেশের বিষয়ে কিছুই জানত না।
আদালত এই ঘটনায় পুলিশের গাফিলতির কঠোর সমালোচনা করে এবং ১৭ এপ্রিলের মধ্যে মাইসুরুর এসপিকে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়।
সুরেশের আইনজীবী পাণ্ডু পুজারী জানান, “এটি একটি দুর্ভাগ্যজনক ও দুঃখজনক ঘটনা। মিথ্যে চার্জশিটের জন্য একজন নির্দোষ ব্যক্তি দেড় বছর জেলে কাটালেন। আমরা মানবাধিকার কমিশন ও এসটি কমিশনে অভিযোগ করব এবং উচ্চ আদালতে ক্ষতিপূরণ দাবি করব।”
এখন প্রশ্ন উঠেছে—যে কঙ্কাল উদ্ধার হয়েছিল তা কার ছিল? পুলিশ কি ইচ্ছাকৃতভাবে এই কেস ফাঁসাতে চেয়েছিল? আদালত এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে…
(Feed Source: news18.com)