Kerala woman dies during childbirth: কেরালার মালাপ্পুরমে ৩৪ বছর বয়সি এক গৃহবধূ আসমার গৃহে সন্তান প্রসবের সময় মৃত্যু হয়। স্বামী, যিনি নিজেকে কট্টর ধর্মগুরু দাবি করেন, হাসপাতালে না নিয়ে ঘরোয়া ডেলিভারির সিদ্ধান্ত নেন, তারপর…
কেরালায় প্রসবের সময় ৩৪ বছরের গৃহবধূর মৃত্যু! স্বামীর ‘ঘরোয়া ডেলিভারি’র সিদ্ধান্তে চাঞ্চল্য
মালাপ্পুরম: কেরালার মালাপ্পুরম জেলার কোডুর পঞ্চায়েতে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক ঘটনা। ৩৪ বছর বয়সি এক গৃহবধূ আসমা, সন্তান জন্মদানের সময় প্রাণ হারান। পুলিশের অনুমান, স্বামী সিরাজুদ্দিন যিনি নিজেকে একজন কট্টর ধর্মগুরু বলে দাবি করেন, স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে না নিয়ে ঘরোয়া ডেলিভারির সিদ্ধান্ত নেন, যা শেষমেশ প্রাণঘাতী প্রমাণ হয়।
পুলিশ সূত্রে খবর, এটি ছিল আসমার পঞ্চম সন্তানের জন্ম। এর মধ্যে তিনটি সন্তান জন্মগ্রহণ করেছে বাড়িতেই। তারা চার সন্তানের সঙ্গে কোডুরে একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। শনিবার রাতে স্ত্রীর মৃত্যুর পরে সিরাজুদ্দিন একটি অ্যাম্বুল্যান্স ভাড়া করে আসমার মৃতদেহ নিয়ে যান তাঁর পিত্রালয়ে, এরনাকুলামের পেরুম্বাভূরের দিকে।
তবে আসমার পরিবার তাঁর মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে এবং পেরুম্বাভূর থানায় খবর দেয়। পুলিশ এসে মৃতদেহটি পেরুম্বাভূর তালুক হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
পুলিশ জানায়, মৃতদেহটি সকালে পেরুম্বাভূরে আনা হয় এবং তদন্ত শুরু হয়েছে। আসমার পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তের মূল দায়িত্ব নিয়েছে মালাপ্পুরম পুলিশ, যদিও প্রাথমিক তদন্তে সহযোগিতা করছে পেরুম্বাভূর পুলিশ।
কোডুর পঞ্চায়েতের ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দিক পুক্কাদান জানান, পঞ্চায়েতের কোনও আধিকারিক এই ঘটনার কথা জানতেন না। দু’মাস আগে এক জরিপের সময় আশাকর্মীরা আসমার বাড়িতে গেলে তিনি দেখা দেননি এবং তাঁর গর্ভাবস্থার কথাও কেউ জানাননি।
সাদ্দিক আরও দাবি করেন, স্বামী ইচ্ছাকৃতভাবেই স্ত্রীকে প্রতিবেশীদের থেকে দূরে রেখেছিলেন।
(Feed Source: news18.com)