Chinese Airfield In Bangladesh?: চিনা বিমানঘাঁটি ভারতের ঘাড়ের কাছে? জিনপিংকে ডেকে এনে মোদীর সঙ্গে শত্রুতায় লিপ্ত করাচ্ছেন ইউনূস? বাংলাদেশ কি…

Chinese Airfield In Bangladesh?: চিনা বিমানঘাঁটি ভারতের ঘাড়ের কাছে? জিনপিংকে ডেকে এনে মোদীর সঙ্গে শত্রুতায় লিপ্ত করাচ্ছেন ইউনূস? বাংলাদেশ কি…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: চিনকে ব্যবহার করে ভারতকে চাপে রাখতে চলেছে বাংলাদেশ? এরকম কথা উঠে আসছে, কারণ, শোনা যাচ্ছে চিনের বায়ুসেনাকে বিমানঘাঁটি তৈরির জন্য জমি দিচ্ছে বাংলাদেশ। কোথায়? জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের লালমণিরহাট জেলায় প্রায় ৭০০ একর জমি ইতিমধ্যেই চিহ্নিত হয়েছে এজন্য। সম্প্রতি এক রিপোর্টে এমনই দাবি করা হয়েছে। খুব স্বাভাবিক কারণেই এই খবরে দুশ্চিন্তা বেড়েছে নয়াদিল্লির। কারণ, চিন একবার বাংলাদেশের বুকে তাদের সেনাঘাঁটি বানিয়ে ফেললে সেটা ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের একটা হুমকি হয়ে থাকবে।

চিন্তা বাড়বে শিলিগুড়ি করিডর নিয়েও যা ‘চিকেনস নেক’ বলেই পরিচিত। ভারত ও তার উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির মধ্যে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ৬০ কিলোমিটার লম্বা ও ২২ কিলোমিটার চওড়া এই ‘চিকেনস নেক’। নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশ ও চিনের কাছাকাছি হওয়ায় ভারতের জন্য এই ‘চিকেনস নেকে’র অবস্থানগত গুরুত্ব যথেষ্ট বেশি। আর নতুন রিপোর্টে দাবি, এই ‘চিকেনস নেকে’র খুব কাছেই নতুন ওই বিমানঘাঁটিটি নির্মিত হতে চলেছে।

কেমন হতে চলেছে এই বিমানঘাঁটিটি?

যতটুকু জানা গিয়েছে, তা হল– একসঙ্গে ৭০ টিরও বেশি যুদ্ধবিমান এখান থেকে উড়তে ও নামতে পারবে। তিনটি মূল অংশ থাকবে– একটি কমব্যাট অপারেশনের জন্য, একটি রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতির জন্য, অন্যটি গবেষণামূলক কাজের জন্য। জানা গিয়েছে, সবকিছু ঠিক থাকলে এই বছরের অক্টোবরেই বিমানঘাঁটির নির্মাণকাজ শুরু হতে পারে। সবচেয়ে আশ্চর্যের কথা হল, সেই কাজের জন্য ঠিক করা হয়েছে পাকিস্তানের এক সংস্থাকে!

জানা গিয়েছে, চিনা প্রেসিডেন্ট জি জিন পিংয়ের সঙ্গে সাম্প্রতিক এক বৈঠকেই নাকি এই বিমানঘাঁটির পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে ফেলেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনুস। যদিও এই দাবির স্বপক্ষে কোনও নথি প্রকাশিত হয়নি। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের সাম্প্রতিক সাক্ষাতে যে এই নিয়ে কোনও কথা হয়েছে, তারও কোনও প্রামাণ্য নথি কেউ কোথাও দেখতে পারেনি। তাই এই রিপোর্টের সারবত্তা নিয়ে এখনও প্রশ্নচিহ্ন রয়ে গিয়েছে।

তবে ভারতে খুব স্বাভাবিক ভাবেই এ নিয়ে একটা টেনশন তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ যেভাবে চিন ও পাকিস্তানের সঙ্গে বন্ধুত্ব বাড়াচ্ছে সেটা ভালো চোখে দেখছে না ভারত। কঠিন সময়ে নানা ভাবে ভারত বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এত কিছুর পরেও ভারতের স্বার্থ দেখছে না বাংলাদেশ– বিষয়টি ভারতকে খুবই বিরক্ত করেছে।

(Feed Source: zeenews.com)