কসবায় ডিআই অফিসে চাকরিহারা শিক্ষকদের বিক্ষোভ৷
কলকাতা: কসবার ডিআই অফিসে বিক্ষোভকারী স্কুল শিক্ষকদের পুলিশের লাথি মারার ঘটনা বাঞ্ছনীয় নয়৷ স্কুল শিক্ষকদের উপরে লাঠিচার্জের ঘটনাও রাজ্য সরকার সমর্থন করে না বলে জানালেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ৷ তবে আইন হাতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করার জন্যই পুলিশ বাধ্য হয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছে বলে দাবি করেছেন মুখ্যসচিব৷ একই দাবি করেছেন কলকাতার নগরপাল মনোজ ভার্মাও৷
এ দিন সকাল থেকেই কলকাতা সহ বিভিন্ন জেলায় ডিআই অফিসগুলিতে চাকরিহারা স্কুল শিক্ষকদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতির তৈরি হয়৷ কসবায় ডিআই অফিসের গেট ভেঙে ঢুকে পড়েন বিক্ষোভকারীরা৷ পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় ধস্তাধস্তি৷ পাল্টা শিক্ষকদের উপরে বেদম লাঠিচার্জ করে পুলিশ৷ এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারী শিক্ষক এবং পুলিশকর্মীও আহত হন৷ নিরীহ শিক্ষকদের পুলিশ মারধর করেছে বলে অভিযোগ ওঠে৷
এই ঘটনার পরই চাকরিহারা শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভ আরও বেড়েছে৷ রাজ্য সরকারের সমালোচনায় সরব হয়েছে বিরোধীরাও৷ মুখ্যসচিব বলেন, পুলিশ ব্যক্তিগত ভাবে কারও উপরে আঘাত করে থাকলে তো ব্যবস্থা নিতেই হবে।
কলকাতার নগরপাল মনোজ ভার্মা বলেন, ‘ওখানে ডিআই অফিসে ঢুকে তালা ভাঙচুর করে ঢোকার চেষ্টা হয়েছে। পুরো ফুটেজটা আমরা খতিয়ে দেখছি। ওই ছবির একটা পার্ট দেখানো হচ্ছে। আর একটা পার্ট দেখানো হচ্ছে না। যে ছবিটা দেখানো হচ্ছে সেটা বাঞ্ছনীয় নয়। পুলিশ কেন এই রকম করল সেটা অবশ্যই দেখতে হবে। পুলিশ একজনকে লাথি মারছে সেটা অবশ্যই কাম্য নয়। আমরা রিপোর্ট চেয়েছি। কিন্তু কেন এটা ঘটল সেটাও দেখতে হবে।’
মুখ্যসচিবও বলেন, ‘অনেক জায়গায় সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করার চেষ্টা হয়েছে৷ পুলিশের সিনিয়র একজন সার্জেন্ট আহত হয়েছেন৷ পরিস্থিতি সামাল দিতেই পুলিশ কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে৷ কারও কথায় বা উস্কানিতে হয়তো এই ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু তা কখনওই বাঞ্ছনীয় নয়৷ শিক্ষক-শিক্ষিকা বন্ধুদের কাছে আমার অনুরোধ, এমন কিছু করবেন না যাতে আইনি সমস্যার তৈরি হয়৷’
(Feed Source: news18.com)