পান্তা ইলিশ বাংলাদেশের পয়লা বৈশাখ সংস্কৃতির অঙ্গ! শুরু কীভাবে? আর কী থাকে পাতে

পান্তা ইলিশ বাংলাদেশের পয়লা বৈশাখ সংস্কৃতির অঙ্গ! শুরু কীভাবে? আর কী থাকে পাতে

Bangla Naboborsho 1432: বাংলা নববর্ষ বা পয়লা বৈশাখ ঘিরে এপার বাংলায় যেমন উন্মাদনা, তেমনই উৎসাহ ওপার বাংলাতেও। বাংলাদেশে প্রতি বছর পয়লা বৈশাখের দিন আয়োজিত হয় এক শোভাযাত্রা। ১৯৯০ সাল থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা নামেই পরিচিত এই শোভাযাত্রা। সম্প্রতি এই শোভাযাত্রার নাম বদল হয়েছে। আবার বাংলাদেশে নববর্ষের দিন পান্তা ও ইলিশ মাছ খাওয়ার রীতিও বহু দিন ধরে প্রচলিত। সম্প্রতি প্রতিবেশী দেশের মৎস্য উপদেষ্টা জানিয়েছেন ইলিশ মাছ খাওয়া সেই দেশের সংস্কৃতি নয়।

‘পহেলা’ বৈশাখের বঙ্গসংস্কৃতি

আপাতত খাওয়াদাওয়া ও উৎসবের সাম্প্রতিক বিধিনিষেধকে পাশে সরিয়ে রাখা যাক। বাংলাদেশে পয়লা বৈশাখের ইতিহাসের দিকে তাকালে এই দিনটিকে ঘিরে দেখা যাবে এক সমৃদ্ধ সংস্কৃতি। খাওয়াদাওয়ার সংস্কৃতির নিরিখে এপার বাংলায় লুচি, তরকারি, মিষ্টি, কঠি পাঁঠার মাংস বা মুরগির মাংস, পোলাও বা ভাত, শেষ পাতে মিষ্টি দই ইত্যাদির আয়োজন হয়ে থাকে। তেমনই ওপার বাংলায় ‘পহেলা’ বৈশাখে পান্তা ভাত, ইলিশ ভাজা, মিষ্টি, পায়েশ ইত্যাদির জম্পেশ আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশে কয়েক দশক ধরে রমনার বটমূলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজিত হচ্ছে। আর এই আয়োজনের নেপথ্যে থাকে সনজিদা খাতুন ও ওয়াহিদুল হকের ‘ছায়ানট’। তাদের অনুষ্ঠানের পাশেই আয়োজিত হয় পান্তা ভাত, ইলিশ সহযোগে খাঁটি গ্রাম বাংলার খাওয়াদাওয়া। এছাড়়াও, এর সঙ্গে থাকে বিভিন্ন শাকসবজির ভর্তা।

ছাত্রদের ভূমিকা অনেকটাই

পয়লা বৈশাখ শুধুই বছরের শুরু নয়। বাংলা নববর্ষের এই দিনটিকে ঘিরে যেন বাঙালিরা তাদের বাঙালিত্ব উদযাপন করে। এপার বাংলায় যেমন সেই চিত্র, ওপার বাংলাতেও তাই। পান্তা ইলিশের যেমন একটি নির্দিষ্ট ইতিহাসের খোঁজ পাওয়া যায়। বাংলাদেশের এই বিশেষ রীতির নেপথ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের ভূমিকা অনেকটাই। ডেইলি স্টার সূত্র অনুযায়ী, রমনার বটমূলে বেশ কিছু ছাত্ররা মিলে এই পান্তাভাত আর ইলিশ উৎসবের আয়োজন করে থাকেন। যতদিন না ইলিশ দুর্লভ হয়ে উঠল, ততদিন মহানন্দে পয়লা বৈশাখের দিন এই বিশেষ খাবার সকলের পাত আলো করে থাকত। বর্তমানে বিধিনিষেধ তৈরি হলেও সেই ইতিহাস মোছার নয়।

(Feed Source: hindustantimes.com)