
West Bengal news: কল থাকলেও জল নেই বছরের পর বছর, ক্ষোভে ফেটে পড়লেন বাসিন্দারা


পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুর থানার অন্তর্গত আঝাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে মোহনপুর, কেরিলি, নবগ্রাম, ইটখোলা পাড়া, আঝাপুর, সাচড়া সহ বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ ৪-৫ বছর ধরে সজল ধারার পাইপ পড়লেও সেই পাইপে জল আসেনি আজও। প্রতি বছরই আশ্বাস দেওয়া হয়, সজলধারা প্রকল্পের কাজ শেষ। জল আসা শুধুই সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু পরিস্থিতি সেই একই থেকে গিয়েছে।
ছবিটা বদলায়নি এতোটুকু। অন্য সব প্রকল্প থেকেও তাঁদের বঞ্চিত রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। তাঁরা বলছেন, গ্রামে নেই ভালো রাস্তার ব্যবস্থা। অনেকেই পাননি আবাস যোজনার ঘর। একাধিক দাবি নিয়ে বারংবার পঞ্চায়েতে গেছেন স্থানীয় মানুষজন। মিলেছে আশ্বাস, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।
এখন এই গ্রীষ্মের সময় জলের চাহিদা বেড়েছে অনেকটাই। সজলধারা অচল। তাই বাধ্য হয়ে পুকুরের জল ব্যবহার করছেন তারা। এর আগে অনেকেই ওই জল ব্যবহার করে অসুস্থও হয়েছেন। তাই বাধ্য হয়ে বুধবার পঞ্চায়েতে তালা লাগিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা। গ্রামবাসীরা বলছেন, বিগত ১০ বছর ধরে পঞ্চায়েতের ট্যাক্স বেড়েছে। কিন্তু পরিষেবা এতোটুকুও বাড়েনি। তাই অবিলম্বে গ্রামে গ্রামে পানীয় জলের ব্যবস্থা, রাস্তা ও নিকাশি ব্যবস্থা ঠিক করতে হবে – এই দাবি তুলে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বাসিন্দারা।
দুপুর দুটো থেকে তিন ঘন্টারও বেশি সময় ধরে পঞ্চায়েতে সামনে বসে বিক্ষোভ দেখান এলাকাবাসী ও সিপিএমের কর্মী সমর্থকেরা। পঞ্চায়েত প্রধানের তরফ থেকে পঞ্চায়েতের ভেতরে ৭ জন প্রতিনিধি দলকে এসে ডেপুটেশন দেওয়ার কথা বললেও তারা পঞ্চায়েতের প্রধানের কাছ থেকে কোনও আশ্বাস না পেয়ে পঞ্চায়েতের প্রধানের ঘর থেকে বেরিয়ে চলে এসে আবার বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। পঞ্চায়েতের প্রধান অশোক ঘোষ জানিয়েছেন, আঝাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অনেকটা বড় এরিয়া। ২৬ টা সংসদ। ছোট বড় অনেক সমস্যা থাকতে পারে। আমরা তা খতিয়ে দেখব এবং সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করব।