#আগরতলা: ভোটের আগেই আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ উঠেছিল, তাকে আটকাতেই তাঁরই শিষ্য সুশান্ত রায় চৌধুরীকে প্রচারের দায়িত্ব দিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু শেষ হাসি হাসলেন সেই সুদীপই। বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ায় বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন সুদীপ রায় বর্মণ। তার সেই আসনেই হল উপনির্বাচন। আর সেখানেই বিজেপিকে পিছনে ফেলে জয় হাসিল করলেন সুদীপ রায় বর্মণ।
ত্রিপুরা উপনির্বাচনের শেষ দিনের প্রচারে অভিনব কায়দা নিয়েছিল কংগ্রেস। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরে, আহত সুদীপ রায় বর্মনকে নিয়ে শহর পরিক্রমা করেছিল কংগ্রেস। প্রসঙ্গত, গত রবিবার রাতে নির্বাচনী প্রচারে আহত হন আগরতলা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী সুদীপ রায়বর্মন। তাঁর নাক, মুখ, দাঁত ও পায়ে চোট আঘাতের চিহ্ন আছে। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরে তাকে নিয়ে প্রচার সেরেছিল কংগ্রেস নেতৃত্ব। অভিনব পন্থায় চলল এই প্রচার।শেষ দিন পোস্ট অফিস চৌমহনী থেকে কংগ্রেস অফিসের সামনে থেকে শুরু হয় মিছিল। হুড খোলা গাড়িতে বসানো হয় সুদীপ রায়বর্মণ ও তার পরিবারকে। সুদীপ রায়বর্মন কতটা আহত হয়েছেন শারীরিক ভাবে সেটা দেখানো হয়।
এ দিন জয়ের পরে সুদীপ রায় বর্মণ অবশ্য জানিয়েছেন, “আমাকে খুন করার চক্রান্ত হয়েছিল। আমাকে সে দিন ওরা মেরে ফেলতে চেয়েছিল। কিন্তু মানুষ আমার পাশে আছে।” প্রসঙ্গত, বিগত বেশ কয়েক মাস ধরে সুদীপ রায় বর্মণ অভিযোগ জানিয়ে আসছেন যে তাঁকে সুপারি কিলার দিয়ে খুন করার চেষ্টা হচ্ছে।সুদীপের সঙ্গে এ দিন অবশ্য হাজির ছিলেন আর এক কংগ্রেস প্রার্থী আশিষ সাহা। তিনি হেরে গেলেও তিনি থাকলেন সাথেই। কংগ্রেসের অভিযোগ, বারবার প্রচারে বাধা দেওয়া হয়েছে। বারবার দলীয় কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হচ্ছে না। এ দিন সুদীপ বাবু অবশ্য জানিয়েছেন, প্রতিদিন আমি রাস্তায় থাকব। আমাকে শারীরিক যন্ত্রণা দিলেও লাভ নেই৷ আমার কর্মী, সমর্থকরা আমার সঙ্গেই আছেন। তাঁরা প্রস্তুত আছেন রাস্তায় নেমে আন্দোলন করার জন্যে৷ আমি আগেই বলেছিলাম ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে দিতেই হবে সকলকে।” পুর নির্বাচনের আগেও সুদীপ তাঁর তৎকালীন দল বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছিলেন৷ কংগ্রেস নেতা আশিষ সাহার বক্তব্য, আহত বাঘ কতটা ভয়ংকর সেটা বুঝিয়ে দিলাম। বিধানসভা ভোটের আগে তাই নজরে থাকবে সুদীপ রায়বর্মণ।
(Source: news18.com)
