Hooghly News: ভারত ৪৭ সালে স্বাধীন হলেও পরে চন্দননগর মুক্ত হয় তিন বছর পরে! স্বাধীনতার ৭৫ বছর উদযাপন ফরাসডাঙায়

Hooghly News: ভারত ৪৭ সালে স্বাধীন হলেও পরে চন্দননগর মুক্ত হয় তিন বছর পরে! স্বাধীনতার ৭৫ বছর উদযাপন ফরাসডাঙায়

Hooghly News: আজ চন্দননগরের স্বাধীনতা দিবস। সাবেক ফরাসী উপনিবেশ চন্দননগর ৭৫ বছর আগে আজকের দিনে স্বাধীন হয়। তারই উদযাপন হচ্ছে চন্দননগরে। ভারতবর্ষ ব্রিটিশদের হাত থেকে স্বাধীন হয় ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট। ওই দিনই দেশ জুড়ে পালন করা হয় স্বাধীনতা দিবস। গোটা দেশ স্বাধীন হলেও চন্দননগর ছিল তখনও পরাধীন।

স্বাধীনতার পঁচাত্তর বছর উদযাপন চন্দননগরে

হুগলি: আজ চন্দননগরের স্বাধীনতা দিবস। সাবেক ফরাসী উপনিবেশ চন্দননগর ৭৫ বছর আগে আজকের দিনে স্বাধীন হয়। তারই উদযাপন হচ্ছে চন্দননগরে। ভারতবর্ষ ব্রিটিশদের হাত থেকে স্বাধীন হয় ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট। ওই দিনই দেশ জুড়ে পালন করা হয় স্বাধীনতা দিবস। গোটা দেশ স্বাধীন হলেও চন্দননগর ছিল তখনও পরাধীন। ফরাসীদের দখলে গঙ্গা তীরবর্তি চন্দননগর। ১৯৫০ সালের ২রা মে ফরাসী শাসনের অবসান ঘটিয়ে স্বাধীনতা লাভ করে চন্দননগর। বহু ইতিহাসের সাক্ষী সেই শহরের স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষপূর্তি উদযাপন করছে চন্দননগর কলেজ এবং চন্দননগর কলেজের প্রাক্তনীদের অ্যালুমনি এসোসিয়েশন।

কলেজ অধ্যক্ষ দেবাশীষ বাবু বলেন, “চন্দননগরকে হেরিটেজ নগরীর স্বীকৃতি দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে চন্দননগর কলেজ এবং চন্দননগর কলেজ অ্যালুমনি এসোসিয়েশন এর তরফে। চিঠি পাঠিয়ে আবেদন করা হয়েছে হেরিটেজ কমিশনের চেয়ারম্যান আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে”।

ইতিমধ্যেই চন্দননগর কলেজ বিল্ডিংকে হেরিটেজ বিল্ডিং হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। হেরিটেজ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে চন্দননগর স্ট্র্যান্ড। জগৎ বিখ্যাত জগদ্ধাত্রী পুজো, বিশ্ব বন্দিত আলো এমন অনেক জিনিসই আছে। চন্দননগর কলেজের হেরিটেজ ভবনে রয়েছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ সোশ্যাল সায়েন্স এন্ড রিসার্চ সেন্টার। তাই গোটা চন্দননগর শহরকে হেরিটেজ স্বীকৃতি দেওয়ার আবেদন জানানো হয়।

চন্দননগরের ফরাসী শাসনকালে অনেক বিপ্লবী ব্রিটিশদের চোখে ধুলো দিয়ে আত্মগোপন করে থাকতেন। তাদের স্মৃতি বিজরিত জিনিস সহ ফসারী আমলের অনেক পুরোনো জিনিস চন্দননাগরিকের কাছে আছে, তাদের কাছে আবেদন করা হয়েছিল মিউজিয়ামের জন্য সেগুলো দিতে যাতে সাধারণ মানুষ দেখতে পারেন। অনেকেই সারা দিয়েছেন। পঁচাত্তর বছরের বেশি যারা চন্দননগরে বসবাস করছেন তাদের সম্বর্ধনাও দেওয়া হবে। চন্দননগর কলেজের প্রাক্তনীদের সাহায্যে চন্দননগর ও ডুপ্লে কলেজ নিয়ে বই প্রকাশ হয়েছে আগেই। এবার স্বাধীনতার প্ল্যাটিনাম জুবিলি উদযাপন চলছে।

দেবাশিস সরকার আরও বলেন, “গতকাল চন্দননগর কলেজ, শালবনীর সরকারি ডিগ্রি কলেজ এবং খিদিরপুর কলেজ- এই তিনটি কলেজ একসঙ্গে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ সোশ্যাল সাইন্স এন্ড রিসার্চ এর কাছে নতুন দিল্লিতে প্রজেক্ট প্রপোজাল জমা দেওয়া হয়েছে। যার আনুমানিক প্রজেক্ট খরচ দু’কোটি টাকা। এর ফলে হেরিটেজকে কেন্দ্র করে উপযুক্ত গবেষণার ক্ষেত্রে কলেজ মুখ্য ভূমিকা নেবে। সঙ্গে থাকবে চন্দননগর কলেজের আলুমনি নিয়ে অ্যাসোসিয়েশন এবং চন্দননগরের বিশিষ্ট নাগরিকরা”।