
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: পহেলগাঁও জঙ্গি হানার পর পকিস্তানকে ভাতে মারার কৌশল হিসেবে সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত করেছে ভারত। এনিয়ে পাকিস্তানের চিত্কারের সীমা নেই। এরপর চেনাব নদীর উপরে সালাল বাঁধের সবকটি গেট বন্ধ করে দিল ভারত। এর ফলে রামবাণে রেয়াসি জেলায় জলস্তর তলানিতে ঠেকে গিয়েছে। এনিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ভূয়ষী প্রশংসা করেছেন বিজেপির আইটি সেলের প্রাক্তন প্রধান অমিত মালব্য।
অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, দেশের স্বার্থে এরকম কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য রাজনৈতিক সংকল্পের প্রয়োজন হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেই কঠিন সংকল্প দেখিয়েছেন। এটাই হল জঙ্গিদের পেশীশক্তির পাল্টা নীতি। আমাদের দেশের মানুষের রক্ত আর জল একসঙ্গে বইতে পারে না। এটা স্পষ্ট করে দেওয়া উচিত।
রোয়াসির এক বাসিন্দা সংবাদমাধ্যমে জানান, সরকার পাকিস্তানের জল বন্ধ করায় আমরা খুশি। পহেলগাঁওয়ে যে ভাবে ওরা নিরীহ পর্যটকদের মেরেছে তাতে ওদের কড়া জাবাব দেওয়ার প্রয়োজন ছিল। এটা অনেক বড় পদক্ষেপ। সরকার বিভিন্নভাবে পাকিস্তানকে জবাব দিচ্ছে। আমরা সরকারের সঙ্গে রয়েছি।
আখনুর সেক্টরে প্রবল বৃষ্টি হওয়ায় গত ২ মে চেনাবের জলস্তর অনেকটাই বেড়েছিল। তার পরে এই পদক্ষেপ নেওয়া হল। এনিয়ে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর ধামি বলেন, ভারত জানে কীভাবে বন্ধুত্ব ও শত্রুতা করতে হয়। প্রধানমন্ত্রী অনেক বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রক্ত ও জল একসঙ্গে বইতে পারে না।
উল্লেখ্য, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সিন্ধু জলচুক্তি সাক্ষর হয়েছিল ১৯৬০ সালে। টানা ৯ বছর দর কষাকষির পর বিশ্বব্যাঙ্কের মধ্যস্থতায় ওই চুক্তি সাক্ষরিত হয় দুদেশের মধ্যে। এই চুক্তির ফলে দুদেশের মধ্যে চাপা টেনশেন অনেকটাই কমেছিল। এনিয়ে দুদেশের প্রশংসা করেছিলেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি আইসেনহওয়ার।
সিন্ধু জলবন্টন চুক্তি অনুযায়ী সিন্ধু, ঝিলম ও চেনাবের জল যাবে পাকিস্তানে। অন্যদিকে, রাভি, বিয়াস ও সাতলেজের জল আসবে ভারতে। চুক্তি অনুযায়ী সিন্ধুর ২০ শতাংশ জল ব্যবহার করতে পারবে ভারত। অন্যদিকে পাকিস্তান পাবে ৮০ শতাংশ জল।
(Feed Source: zeenews.com)
