
ঘরে ওয়াপসি হচ্ছে অভিনেত্রী স্বস্তিকা দত্তের। বেশ কিছুদিন ধরেই খবর আসছিল যে, অভিনেত্রীকে ফের দেখা যাবে ছোট পর্দায়। জি বাংলার সিরিয়াল তোমার খোলা হাওয়া-র পর আর ছোট পর্দায় দেখা যায়নি তাঁকে।
খবর রয়েছে, স্বস্তিকা যে ধারাবাহিকটিতে অভিনয় করবেন, তার প্রযোজনা করছেন জি বাংলার প্রোডাকশন ও সুরিন্দর ফিল্মস। আর শুধু তাই নয়, ইতিহাসের পাতার এক মহিয়সী নারীর চরিত্রে দেখা যাবে স্বস্তিকাকে। আর তারপর থেকেই দর্শকরা দুইয়ে দুইয়ে চার করে ফেলেছেন যে, জি বাংলার রাণী ভবানী হচ্ছেন তিনিই।
স্বস্তিকার অভিনয় শুরু ছোট পর্দা দিয়ে। তবে তিনি ছিলেন তখন জলসার নায়িকা। ‘দুগ্গা দুগ্গা’, ‘ভজ গোবিন্দ’, ‘বিজয়িনী’-র মতো মেগায়। তারপর জি বাংলার সঙ্গে প্রথম কাজ ‘কি করে বলব তোমায়’।
‘রাণী ভবানী’ সম্পর্কে:
একসঙ্গে স্টার জলসা আর জি বাংলায় আসছে রাণী ভবানীর গল্প। অনেকে তাঁকে চিনতেন মহারাণী ভবাণী বলেও। নাটোরের জমিদার রাজা রামকান্তের সঙ্গে বিয়ে করেছিলেন তিনি। তিন সন্তানের জন্ম দেন রাণী ভবানী। যদিও বেঁচে ছিলেন মাত্র ১ জন, তারাসুন্দরী। পরবর্তীতে তিনি রামকৃষ্ণকে দত্তক নেন।
১৭৪৮ সালে রাণী ভবাণীর স্বামী রামকান্ত ইহলোক ত্যাগ করার পর নবাব আলীবর্দি খাঁ রাণী ভবানীর ওপর জমিদারি পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেন। তখনকার দিনে জমিদারি চালাচ্ছেন কোনো মহিলা, তা ছিল বিরল ঘটনা। ১৭৮৬ সাল পর্যন্ত নাটোর রাজ্য ছিল ভারতবর্ষের অন্যতম বৃহত্তম জমিদারি। নাটোর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, কুষ্টিয়া, যশোর, রংপুর হয়ে মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহ পর্যন্ত বিস্তার লাভ করেছিল তাঁর জমিদারি। এজন্য তাকে অর্ধবঙ্গেশ্বরী বলা হতো। প্রজাদরদী রাণী ভবানীর রাজত্বকাল ছিল প্রায় ৫০ বছর মতো।
১৮০২ সালে রানী ভবানীর মৃত্যুর পর তার দত্তকপুত্র রামকৃষ্ণ সেই রাজ্যভার গ্রহণ করেন। আররামকৃষ্ণের মৃত্যুর পর, রাজবাড়ি বড় তরফ ও ছোট তরফ, দু’ ভাগে ভাগ হয়ে যায় তাঁর দুই সন্তানের মধ্যে।
এর আগেও এরকমই একই চরিত্রকে নিয়ে ধারাবাহিক চালিয়েছিল স্টার জলসা ও জি বাংলা। বাংলার প্রথম মহিলা ডাক্তার কাদম্বিনীকে নিয়ে চলেছিল এরকমই রেষারেষি। এখন দেখার রাণী ভবানী কোন খেল দেখায়।
(Feed Source: hindustantimes.com)
