India Pakistan Ceasefire: সংঘাত বাড়লেই ময়দান ছেড়ে পালায় পাকিস্তান! লজ্জার ইতিহাস বলছে তাই, জানেন কী করেছিল পাকিস্তান?

India Pakistan Ceasefire: সংঘাত বাড়লেই ময়দান ছেড়ে পালায় পাকিস্তান! লজ্জার ইতিহাস বলছে তাই, জানেন কী করেছিল পাকিস্তান?

ভারত-পাকিস্তান মোট চারবার যুদ্ধে জড়িয়েছে। ১৯৪৮, ১৯৬৫, ১৯৭১, এবং ১৯৯৯। প্রতিটা যুদ্ধই শুরু হয়েছিল পাকিস্তানের আগ্রাসী মনোভাবের জন্য কিন্তু ভারতের পাল্টা মারের সামনে রণে ভঙ্গ দিয়েছে পাকিস্তান।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় সংঘর্ষবিরতি ঘোষণা হয়েছে ভারত-পাক দুই দেশেই। দুই পরমাণু শক্তিধর দেশ এর আগেও বহুবার যুদ্ধে জড়িয়েছে। ভারত-পাকিস্তান মোট চারবার যুদ্ধে জড়িয়েছে। ১৯৪৮, ১৯৬৫, ১৯৭১, এবং ১৯৯৯।

প্রতিটা যুদ্ধই শুরু হয়েছিল পাকিস্তানের আগ্রাসী মনোভাবের জন্য কিন্তু ভারতের পাল্টা মারের সামনে রণে ভঙ্গ দিয়েছে পাকিস্তান। একবার দুবার নয়। প্রতিবারই। দেখে নেওয়া পাকিস্তানের লজ্জার ইতিহাস

১৯৪৭-৪৮ প্রথম কাশ্মীর যুদ্ধ
ভারত-পাক স্বাধীনতার পরেই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে দুই দেশ। ১৯৪৭ সালের অক্টোবরে জম্মু কাশ্মীর তখন ‘প্রিন্সলি স্টেট’। সেই সময়ে তখনকার রাজা হরি সিং ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার চুক্তিতে সই করেন। কিন্তু, সেই সময়েই কিছু স্থানীয়দের নিয়ে কাশ্মীর দখল করার চেষ্টা চালায় পাকিস্তান।

১৯৪৭-৪৮ প্রথম কাশ্মীর যুদ্ধ
ভারত-পাক স্বাধীনতার পরেই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে দুই দেশ। ১৯৪৭ সালের অক্টোবরে জম্মু কাশ্মীর তখন ‘প্রিন্সলি স্টেট’। সেই সময়ে তখনকার রাজা হরি সিং ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার চুক্তিতে সই করেন। কিন্তু, সেই সময়েই কিছু স্থানীয়দের নিয়ে কাশ্মীর দখল করার চেষ্টা চালায় পাকিস্তান।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতেই ভারতীয় সেনা শ্রীনগরে অভিযান চালায়। বারামুলা, উরি এবং কাশ্মীরের বিভিন্ন জায়গায় প্রচণ্ড সংঘাত হয়। এর মাঝেই জানুয়ারির ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘের কাছে আবেদন জানায় ভারত। এরপরেই ১ জানুয়ারি ১৯৪৯ সালে কাশ্মীরের দুই-তৃতীয়াংশ অঞ্চল নিজেদের দখলে রাখে ভারতীয় সেনা। ভৌগলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কাশ্মীর উপত্যকা এবং লাদাখ অঞ্চল নিজেদের দখলে রাখতে সক্ষম হয় ভারত। অন্যদিকে, কাশ্মীরের তিন ভাগের এক ভাগ নিজেদের কাছে রাখে পাকিস্তান। এই অংশের নাম হয় পাক অধিকৃত কাশ্মীর বা পিওকে।

১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ
দ্বিতীয় ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হয় অগাস্টের ১৯৬৫ সালের পাকিস্তান এক অপারেশন শুরু করে। এই অপারেশনের নাম দেওয়া হয়, ‘জিব্রালটার’। এই সময় সাধারণ পোশাকে সামরিক বাহিনীর মানুষকে ভারতের জম্মু কাশ্মীর অঞ্চলে উপদ্রবের জন্য অনুপ্রবেশ করানো হয়। এই ঘটনায় ভারত যোগ্য জবাব দেয়। ভারত সম্পূর্ণ রূপে সেনা নামায়। শুধু কাশ্মীর নয়, ভারতের পাঞ্জাবের আন্তর্জাতিক সীমান্তেও অভিযান চালায় ভারতীয় সেনাবাহিনী।

বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই অধ্যায়ের শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) এর উপর পশ্চিম পাকিস্তানের অত্যাচারের ফলে। ১৯৭০ সালে রাজনৈতিক ভাবে আওয়ামী লিগ গোটা দেশে জিতে যায়। কিন্তু, সেই নির্বাচন বাতিল করে পশ্চিম পাকিস্তানের সরকার ফলে রাজনৈতিক অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। পূর্ব পাকিস্তানে অত্যাচারের ফলে ভারতে বাড়তে থাকে শরণার্থীদের চাপ। ভারত স্বাধীনতাকামী পূর্ব পাকিস্তানিদের সাহায্য করছিল পরোক্ষ ভাবে।

কিন্তু, ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর পাকিস্তান ভারতের বিভিন্ন বিমান ঘাঁটিতে এয়ার স্ট্রাইক করে। সঙ্গে সঙ্গেই ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে ৯৩ হাজার সৈন্য নিয়ে আত্মসমর্পণ করে পাকিস্তানি সেনা। এরপরেই ১৯৭২ সালে শিমলা চুক্তি সই করা হয়।

কার্গিল যুদ্ধ ১৯৯৯
১৯৯৯ সালে জম্মু কাশ্মীরে পাকিস্তানি সেনা এবং জঙ্গি নিয়ন্ত্রণরেখা পার করে ‘অপারেশন বদরের’ উদ্দেশে হানা দেয়। এই অপারেশনের যোগ্য জবাব দেয় ভারতীয় সেনা। জুলাই ২৬ এর মধ্যে সমস্ত জঙ্গি এবং পাক সেনাদের হটিয়ে নিজেদের আগের জায়গা ফিরে পায় ভারতীয় সেনা।

(Feed Source: news18.com)