পাককে নাকানি-চোবানি খাওয়াতে বিদেশে জওয়ান বা শহিদদের পরিবারকে পাঠান, বললেন অভিষেক

পাককে নাকানি-চোবানি খাওয়াতে বিদেশে জওয়ান বা শহিদদের পরিবারকে পাঠান, বললেন অভিষেক

সাংসদ নয়, বরং অপারেশন সিঁদুর নিয়ে কেন্দ্রের প্রতিনিধিদলে থাকা উচিত ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর জওয়ান ও অফিসারদের। এমনই দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইসঙ্গে শহিদ পরিবারের সদস্য বা সোমবার নয়াদিল্লিতে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ তথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘যখন দেশের প্রতিনিধিত্ব করার ব্যাপার আসে, তখন আমাদের জোটবদ্ধভাবে একমত হওয়া উচিত এবং সর্বসম্মতভাবে ঐক্যমতে পৌঁছানো উচিত যে (বিদেশে) সাংসদদের পাঠানোর পরিবর্তে শহিদদের পরিবারের সদস্য বা যাঁদের প্রাণরক্ষা পেয়েছে, তাঁদের পাঠানো উচিত।’

অপারেশন সিঁদুরে নেতৃত্ব দেওয়া জওয়ানদের কুর্নিশ অভিষেকের

পুরো বিষয়টি আরও ব্যাখ্যা করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমাদের সেইসমস্ত সশস্ত্র বাহিনীর বীর অফিসারদের (বিদেশে) পাঠানো উচিত, যাঁরা সামনে থেকে অপারেশন সিঁদুরের নেতৃত্ব দিয়েছেন; যাঁরা দেশের জন্য নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন; পুরো ভারত যাতে নির্ভয়ে ঘুমোতে পারে, সেজন্য যাঁরা অসংখ্য রাত সতর্ক চোখে সবকিছু নজর রেখেছেন। সেই সাহসী মানুষগুলোর থেকে ভালোভাবে আমাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন আর কারা?’

প্রতিনিধিদলের সদস্যদের নিয়ে বিতর্ক তৈরি

আর অভিষেক যখন সেই মন্তব্য করেছেন, যখন অপারেশন সিঁদুর নিয়ে ভারত সরকারের নির্বাচিত সর্বদলীয় কূটনৈতিক প্রতিনিধিদলের সদস্যদের নিয়ে একটি মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কংগ্রেস বা তৃণমূলের দাবি, ওই প্রতিনিধিদলে কোন রাজনৈতিক দলের কোন সদস্য থাকবেন, সেটা নির্ধারণের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের নয়। কংগ্রেস বা তৃণমূল কোন সদস্যকে কূটনৈতিক দৌত্যের জন্য পাঠাবে, তা নির্বাচনের সম্পূর্ণ অধিকার আছে সংশ্লিষ্ট দলেরই।সেই পরিস্থিতিতে সোমবার তৃণমূলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, সর্বদলীয় কূটনৈতিক প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠানকে যে বেছে নেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে ঘাসফুল শিবিরের কোনও মত জানতে চাওয়া হয়নি। তাই নিজেদের প্রতিনিধির নাম ফিরিয়ে নিচ্ছে বলে তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়।

পুরোটার সঙ্গে দেশের স্বার্থ জড়িয়ে, বক্তব্য তৃণমূলের

সেইসঙ্গে তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়, কেন্দ্রীয় সরকার যে সর্বদলীয় প্রতিনিধিদল পাঠাচ্ছে, তা নিয়ে সম্পূর্ণভাবে সমর্থন আছে। পুরোটার সঙ্গে দেশের স্বার্থ জড়িত আছে। তাই কেন্দ্রীয় সরকারের পাশে আছে তারা। কিন্তু তৃণমূলের কোনও প্রতিনিধি যাবেন, সেটা নির্ধারণের অধিকার আছে তাদেরই। ঘাসফুল শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্ব বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কোনওরকম আলাপ-আলোচনা না করেই সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সঙ্গে পৃথকভাবে যোগাযোগ করা হয়।

(Feed Source: hindustantimes.com)