WATCH Cyclone Shakti Alert: বাজল ৩৬ ঘণ্টার বিপদঘণ্টা, ডুববে দেশের ৩ শহর! সাইক্লোন শক্তি হবে কালনাগিনীর ছোবল…

WATCH Cyclone Shakti Alert: বাজল ৩৬ ঘণ্টার বিপদঘণ্টা, ডুববে দেশের ৩ শহর! সাইক্লোন শক্তি হবে কালনাগিনীর ছোবল…

Cyclone Shakti: বিগত কয়েকদিন ধরেই একাধিক ওয়েদার মডেলে এসেছে সামনে। জানা যাচ্ছিল, মে মাসের শেষের দিকেই ভারতের স্থলভাগে আছড়ে পড়তে চলেছে আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড় ‘শক্তি’। প্রবল ক্ষমতাশালী হয়েই সাইক্লোন আছড়ে পড়বে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছিল। কিন্তু এখন পট পরিবর্তন! জিএফএস সহ পাঁচটি আন্তর্জাতিক মডেল দেশের দুই প্রান্তে জোড়া ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস দিচ্ছিল। দু’টি মার্কিন এবং একটি জার্মান আবহাওয়া গবেষণা মডেল এবার দাবি করছে যে, লাগাতার তোলপাড় করা বৃষ্টিতে, ঘূর্ণিঝড় দানা বাঁধার আগেই তার অভ্যন্তরীণ শক্তিক্ষয় হচ্ছে, তাতে আরব সাগরে আলাদা করে আর ঘূর্ণিঝড় হবে না খুব সম্ভবত। তবে এবার মৌসম ভবন (আইএমডি) বলছে যে, ধেয়ে আসছে ভয়ংকর বৃষ্টি…

মুম্বই-পুণে

গত বৃহস্পতিবার সারারাত ভারী বর্ষণে মুম্বই কার্যত জলের তলায়। সান্তাক্রুজ আবহাওয়া কেন্দ্রে জানিয়েছে যে, ২৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে, যেখানে সকাল পর্যন্ত কোলাবায় ১০ মিমি বৃষ্টিপাত হয়েছিল। বৃষ্টিপাতের ফলে কেবল রাস্তাঘাটই জলমগ্ন নয়, তাপমাত্রাও তীব্রভাবে হ্রাস পেয়েছে, সান্তাক্রুজ কাঁপছে ২২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে যা স্বাভাবিকের চেয়ে পাঁচ ডিগ্রি কম। আইএমডির তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে মুম্বইয়ে ইতিমধ্যে ১০০ মিমিরও বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা মে মাসের গড় বৃষ্টিপাতের প্রায় ৭০০% বেশি। পুণেও মুষলধারে বৃষ্টিপাতের জন্য প্রস্তুত। কারণ এই সিস্টেম এখন উত্তর দিকে সরে যাওয়ার হুমকি দিচ্ছে। মুম্বই, থানে এবং পালঘরের জন্যও কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। অন্যদিকে রায়গড় এবং রত্নগিরির মতো জেলাগুলিতে গত শুক্রবার থেকে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

মৎস্যজীবীদের সতর্ক করা হয়েছে

সাইক্লোন শক্তির আবহে মৎস্যজীবীদের উপকূলে থাকতে বলেছে আইএমডি। সমুদ্র উত্তাল হতে চলেছে বলেই পূর্বাভাস। গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া একেবারেই ঠিক হবে না। ২২-২৭ মে’র বিপদঘণ্টা বেজেছে। সোমালিয়া উপকূল এবং সংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম আরব সাগরের পাশাপাশি, পশ্চিম-মধ্য আরব সাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম এবং সংলগ্ন অংশে জেলেদের ভ্রমণ না করারই পরামর্শ দিয়ে বুলেটিন প্রকাশ করেছে আইএমডি। এই সতর্কতা মহারাষ্ট্রের বাইরেও। আগামী দিনগুলিতে গুজরাত, কর্ণাটক, কেরালা এবং কোঙ্কন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে, ২২ থেকে ২৪ মে পর্যন্ত কোঙ্কন-গোয়ায় বিচ্ছিন্নভাবে ‘অত্যন্ত ভারী’ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা।

কেরালায় বর্ষা

আইএমডি জানিয়েছে যে, দক্ষিণ উপকূলে মৌসুমী বায়ুর পরিস্থিতি এখন সামঞ্জস্যপূর্ণ। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু আগামী দু’থেকে তিন দিনের মধ্যে কেরালায় আনুষ্ঠানিক ভাবে আসতে পারে এবং দ্রুত তামিলনাড়ুর লাক্ষাদ্বীপ, বঙ্গোপসাগর এবং উত্তর-পূর্ব দিকে এগিয়ে যাবে। এদিকে, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, ওড়িশা এবং সমগ্র উত্তর-পূর্ব সহ পূর্ব ও মধ্য ভারতের কিছু অংশে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে কারণ এই অঞ্চলে ব্যাপক বজ্রপাত এবং ঝোড়ো বাতাস বয়ে যাচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড়

আইএমডি বিজ্ঞানী অখিল শ্রীবাস্তব এএনআইকে বলেছেন, ‘আগামী তিন দিন কোঙ্কন গোয়ায় অত্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এখানে লাল সতর্কতাও জারি। মধ্য মহারাষ্ট্র এবং পশ্চিম উপকূলের সংলগ্ন অঞ্চলেও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।’যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও ঘূর্ণিঝড় সতর্কতা ঘোষণা করা হয়নি, শ্রীবাস্তব আরও যোগ করেছেন যে, এই সিস্টেমটি ‘তীব্র হয়ে উত্তর দিকে সরে যেতে পারে’ এবং ‘পশ্চিম উপকূলেও চলাচল করবে’। আবহাওয়ার এই ধরণটি যদিও ঘূর্ণিঝড় সঞ্চালন ইন্ধন দিচ্ছে যা,’তীব্র থেকে অত্যন্ত তীব্র’ হতে পারে। যদি ঘূর্ণিঝড়েই পরিণত হয়, তবে এর নামকরণ করা হবে ঘূর্ণিঝড় শক্তি, শ্রীলঙ্কা কর্তৃক প্রস্তাবিত একটি নাম, যার অর্থ তামিল ভাষায় শক্তি

(Feed Source: zeenews.com)