Covid 19 cases: ৩০ মৃত্যু! কেন হঠাৎ বাড়ছে কোভিডের সংক্রমণ! বিশেষজ্ঞরা বলছেন…

Covid 19 cases: ৩০ মৃত্যু! কেন হঠাৎ বাড়ছে কোভিডের সংক্রমণ! বিশেষজ্ঞরা বলছেন…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: এশিয়ার দেশগুলিতে হঠাৎ করেই বেড়েছে করোনার সংক্রমণ (Coronavirus)। যার পিছনে রয়েছে হংকং এবং সিঙ্গাপুরে করোনার নতুন স্ট্রেইন (Covid New Strain)। করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়তেই, বাড়ছে উদ্বেগ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মে মাসের প্রথম সপ্তাহে সিঙ্গাপুরে করোনা রোগীর সংখ্যা ২৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

হংকংয়ে Sars-CoV-2 ভাইরাল লোড বৃদ্ধি

ওদিকে হংকংয়ে নিকাশি নালার নমুনায় Sars-CoV-2 ভাইরাল লোডের পরিমাণ বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গিয়েছে। করোনা আক্রান্ত পজিটিভ হওয়ার হার বেড়েছে ১৩.৬৬ শতাংশ। ৪ সপ্তাহ আগেও যা ছিল ৬.২১ শতাংশ। হংকংয়ে ইতিমধ্যেই ৮১টি করোনায় ‘সিভিয়ার কেস’ রেকর্ড হয়েছে। তার মধ্যে ৩০টি মৃত্যুও আছে। প্রাণ হারিয়েছেন ৩০ জন। যাদের প্রায় সকলেই বয়স্ক ও অন্যান্য শারীরিক সমস্যা ছিল।

কোভিড-১৯ কি ‘সিসেনাল’ সংক্রমণে পরিণত হয়েছে?

হংকংয়ের সেন্টার ফর হেলথ প্রোটেকশন (CHP)-এর মতে, “করোনার সংক্রমণের বাড়া-কমা লক্ষ্য করে দেখা গিয়েছে, হংকংয়ে ২টি সময়ে করোনার সংক্রমণ বেড়েছিল। যাকে বলা হয় কোভিডের স্পাইক। ২০২৩-এর এপ্রিল থেকে জুলাই পর্যন্ত প্রায় ১৫ সপ্তাহ এবং ২০২৪-এর ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত প্রায় ৭ সপ্তাহ। এই বছরও এপ্রিলের মাঝামাঝি (প্রায় ৪ সপ্তাহ আগে থেকে) ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে কোভিড।”

সিঙ্গাপুরে করোনার নতুন স্ট্রেইন

সিঙ্গাপুরে এক সপ্তাহে কোভিডে আক্রান্তের ১১,১০০ থেকে বেড়ে ১৪,২০০-এ পৌঁছেছে। হাসপাতালে ভর্তি সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যাও ১০২ থেকে বেড়ে ১৩৩-এ পৌঁছেছে। তবে আইসিইউতে ভর্তির সংখ্যা কিছুটা কমেছে। সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের মতে, “করোনার যে ভ্যারিয়েন্টগুলি নতুন করে সামনে এসেছে, সেগুলি আগের ভ্যারিয়েন্টগুলির থেকে বেশি সংক্রমণযোগ্য বা আরও গুরুতর রোগের কারণ হতে পারে, এমন কোনও ইঙ্গিত নেই।”

স্বাস্থ্য মন্ত্রণক আরও জানিয়েছে এই নয়া LF.7 এবং NB.1.8- উভয়ই JN.1 ভ্যারিয়েন্টেরই বংশধর। নতুন কোভিড টিকায় এই JN.1 ভ্যারিয়েন্ট ব্যবহার করা হয়েছে। যদিও স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে এও বলা হয়েছে যে, “শ্বাসযন্ত্রের অন্যান্য রোগের মতো, সারা বছর ধরেই পর্যায়ক্রমে কোভিডের স্পাইকের বাড়া-কমার সম্ভাবনা রয়েছে।”

(Feed Source: zeenews.com)