
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: দলিত বলে কী সে মানুষ নয়? উঁচু জাতের দোকানদারের ছেলেকে ‘বেটা’ বলেছে বলে নির্মম অত্যাচার। আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। ৬দিন কাতড়ানোর পর অবশেষে নিশ্বাস ত্যাগ করেন আহত ব্যক্তি। ঘটনাটি ঘটে, গুজরাতের আমরেলা জেলায়।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। মামলায় পুলিস ইতোমধ্যেই আটজন-সহ নাবালককে গ্রেফতার করেছে। শুক্রবার কংগ্রেস বিধায়ক জিগনেশ মেভানি মৃত নীলেশ রাঠোরের পরিবারের সঙ্গে বিক্ষোভে বসেন। এবং ন্যায়বিচারের দাবি জানান।
কংগ্রেস বিধায়কের বক্তব্য:
এক বিবৃতিতে বিধায়ক বলেন, ‘জারখিয়া গ্রামের নীলেশ রাঠোর মৃত্যু হয়েছে। একটা সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে জাতভেগ তুলে তাকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়। কয়েকদিন পর তিনি মারা যান। আমরা চারজন ভুক্তভোগীর পরিবারের জন্য ৫ একর কৃষিজমি অথবা সরকারি চাকরি দাবি করছি, এবং একজন ভালো অফিসার দ্বারা তদন্ত পরিচালনা করা হোক এবং মামলাটি দ্রুত বিচারের মাধ্যমে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হোক।’
ভুক্তভোগীর পরিবার জানিয়েছে যে, তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা মৃতদেহ গ্রহণ করবে না।
কী ঘটেছিল সেদিন?
লালজি মানসুখ চৌহান ঘটনার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন। তিনি জানান, ১৬ মে নীলেশ রাঠোর ভুজিয়ার দোকানে গিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পর নীলেশ বাড়ি ফিরে জানান যে, দোকানের মালিকের ছেলেকে বেটা বলে ডেকে তাকে প্যাকেট দিতে বলে। বেটা বলে ডাকার অপরাধে দোকানের মালিক তাকে লোহার লাঠি দিয়ে মারধর করে। এরপর লালজি চৌহানও ওই দোকানে যান। কিন্তু দোকানদার ছোটা খোদা ভরওয়াদ তাকেও লাঠি দিয়ে মারধর করেন।
এই ঘটনায় মোট ১১ জন জড়িত ছিল। এখনও পর্যন্ত আটজন গ্রেফতার করা হয়।
(Feed Source: zeenews.com)
