Gas Cylinder: গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে রমরমা বেআইনি কারবার..বিস্ফোরণ হতেই প্রকাশ্যে এল সব, তদন্ত শুরু

Gas Cylinder: গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে রমরমা বেআইনি কারবার..বিস্ফোরণ হতেই প্রকাশ্যে এল সব, তদন্ত শুরু

স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান। এরপর দমকল এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এখান থেকে আরও ভয়াবহ ঘটনা ঘটতে পারতো। তেমন অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্হাও ছিল না বলে জানা গিয়েছে।এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্হা নিক পুলিশ প্রশাসন।

News18Gas Cylinder: গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে রমরমা বেআইনি কারবার..বিস্ফোরণ হতেই প্রকাশ্যে এল সব, তদন্ত শুরু

মেমারি: দীর্ঘদিন ধরে চলচিল রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে বেআইনি কারবার। ঘুণাক্ষরে টের পায়নি কেউ। সেই সিলিন্ডারে বিস্ফোরণ ঘটতেই সামনে এল এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানা এলাকায় মাসের পর মাস ধরে চলছিল এই কারবার। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। গোডাউনের মালিকের খোঁজ চলছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার দুপুরে বেআইনিভাবে মজুত গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি ছাউনিতে আগুন লাগে। তাতে একের পর এক গ্যাস সিলিন্ডারে বিস্ফোরণ হয় বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তবে হতাহতের কোনও খবর নেই। ঘটনাস্থলে দমকলের একটি ইঞ্জিন পৌঁছায়। প্রায় চল্লিশ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন দমকল কর্মীরা।

মেমারির সাতগাছিয়ার কাঠখান্ডা এলাকার ঘটনা। বেআইনিভাবে গ্যাস মজুত করে এখান থেকেই ডোমেস্টিক গ্যাস সিলিন্ডার থেকে কর্মাশিয়াল গ্যাস সিলিন্ডারে রি-ফিলিং করা হত বলে অভিযোগ।ঘটনার পর থেকেই পলাতক গ্যাস গোডাউনের মালিক। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মেমারি থানার পুলিশ।

মেমারি দমকল বিভাগের সাব অফিসার পুলক সিংহ রায় জানান, সাড়ে ১২ টা নাগাদ আমাদের খবর দেওয়া হয়।আমরা এসে দেখি প্রচুর সংখ্যক গ্যাস সিলিন্ডার এখানে মজুত করে রাখা ছিল।প্রায় ৯০ টির মতো সিলিন্ডারে গ্যাস ছিল। অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র কিছু সংখ্যায় থাকলেও তা পর্যাপ্ত পরিমাণে ছিল কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।আগুন লাগার কারণও স্পষ্ট নয়। সার্বিক ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে মেমারি থানার পুলিশ।

এলাকার বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই সবার চোখের সামনে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার থেকে কর্মাশিয়াল গ্যাস সিলিন্ডারে গ্যাস ভরার এই বেআইনি কারবার চলছিল। পুলিশ প্রশাসনের চোখে তা পড়েনি কেন তা ভেবে অবাক লাগছে। তাঁরা জানান, সোমবার বেলা সাড়ে বারোটা নাগাদ পর পর কয়েকটি সিলিন্ডারে বিস্ফোরণ ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান। এরপর দমকল এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এখান থেকে আরও ভয়াবহ ঘটনা ঘটতে পারতো। তেমন অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্হাও ছিল না বলে জানা গিয়েছে।এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্হা নিক পুলিশ প্রশাসন।