
সঞ্জয় দত্ত
বলিউড তারকা সঞ্জয় দত্ত কিন্তু নিজে স্বীকার করেছিলেন মাদক চক্রে জড়িয়ে পড়ার কথা। বলিউডের কেরিয়ার সঞ্জয় দত্তের ক্ষতির মূল জায়গাই নাকি এই মাদক।
ফারদিন খান
ফারদিন নাকি সব রকম মাদকেই আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন। আসক্তি ছাড়ার চেষ্টাও করেছিলেন তিনি। তিনি নিজে এই পর্যায়টিকে একটি জীবন্ত ‘নরক’ বলে অভিহিত করেছেন। ২০০১ সালে ফারদিনকে একটি মাদক মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল কারণ তার কাছ থেকে ৯ গ্রাম কোকেন পাওয়া গিয়েছিল। এরপর তিনি একটি ডিটক্সিফিকেশন কোর্স করেন। তিনি পুনরায় ইন্ডাস্ট্রিতে কামব্যাক করতে চলেছেন। রীতেশ দেশমুখের সাথে ভিসফোট সিনেমায় দেখা যাবে তাকে।
আরমান কোহলি
২০২১ সালে আরমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল মাদক কেলেঙ্কারি মামলায়। এনসিবি মুম্বাইয়ের জুহুতে তার অ্যাপার্টমেন্টে অভিযান চালিয়েছিল এবং তার বাড়িতে মাদক পাওয়া গিয়েছিল।

মমতা কুলকার্নি
মমতা এবং তার স্বামী ভিকি দুজনের বিরুদ্ধেই মাদক রাখার অভিযোগ ছিল। তাদের নাম জড়িয়েছিল মাদক পাচারের সঙ্গেও। গ্রেফতারও হয়েছিলেন মমতা। মমতার বলিউড কেরিয়ার নষ্টের মূল কারণ নাকি এটাই।

ভারতী সিং
ভারতী সিং এবং তার স্বামী হর্ষ লিম্বাচিয়াকেও এনসিবি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিল কারণ তাদের বাড়ি থেকে মাদক উদ্ধার হয়। গাঁজা সেবনের কথা স্বীকারও করেছেন তারা। এনসিবি সূত্রে খবর, কৌতুকাভিনেতা মিসেস ভারতী সিংয়ের প্রোডাকশন অফিস এবং হাউস সহ দুটি জায়গায় অভিযান চালিয়ে ৮৬.৫ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার হয়। এনডিপিএস অ্যাক্ট ১৯৮৬-এর বিধান অনুসারে শ্রীমতী ভারতী সিংকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং শ্রী হর্ষ লিম্বাচিয়ার পরীক্ষা চলছে।

করণ জোহরের পার্টি
অন্য সব সেলেব ছাড়াও করণ জোহরের পার্টিও এনসিবি-র নজরে আসে।
বলা হয়েছিল, পার্টিতে মাদক সেবন করেছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন, রণবীর কাপুর, ভিকি কৌশল সহ অনেক তারকা। পার্টির একটি ভিডিওটি ভাইরাল হয় সোশ্য়াল মিডিয়ায়।
এরপর থেকেই মাদক কেলেঙ্কারিতে ফেঁসে যান বলিউডের করণ জোহরের সহযোগী ক্ষিতিজ রবি প্রসাদ। তবে মাদক ক্ষিতিজ নিজে গ্রহণ করতেন, নাকি করণ জোহরের জন্য তিনি সংগ্রহ করতেন, তা জানার জন্য সমন জারি করা হয় তার বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে ক্ষিতিজের বাড়ি থেকে গাঁজা ও মারিজুয়ানা উদ্ধার করেছে এনসিবি।
