
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: উত্তর প্রদেশের রামপুরের ৫৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি তার ছেলের বাগদত্তার সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার পর, সেই খবরে আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। এই ঘটনা, স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভ এবং অবিশ্বাসের জন্ম দিয়েছে। আলিগড়ে একই রকমের একটি ঘটনার ঘটেছিল, যেখানে বিহারের নেপাল সীমান্তের কাছে একজন বর এবং তার হবু শাশুড়িকে নিয়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু তাদের খুঁজে বের করে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
এক বছর আগে আজিম নগর থানা এলাকার এক মেয়ের সঙ্গে তাঁর ছেলের বিয়ে ঠিক করে মধ্যবয়সী ওই ব্যক্তি। সেইসূত্রে তার হবু পুত্রবধূর বাড়িতে ঘন ঘন যাতায়াত করতেন। সেই সময় ধীরে ধীরে তার হবু পুত্রবধূর প্রতি প্রেমরস সঞ্চার হয়। তাদের পরিবারের অজান্তেই তাদের সম্পর্ক প্রেমের সম্পর্কে পরিণত হয়।
আট দিন আগে, মেয়েটির শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ার কারণে, তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার অজুহাতে, লোকটি মেয়েটিকে তার গাড়িতে করে নিয়ে পালিয়ে যায়। সন্ধ্যার পরও তারা ফিরে আসেনি, এবং মেয়েটির পরিবার যখন লোকটির সঙ্গে যোগাযোগ করে, তখন সে দাবি করে যে হবু বউমাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুই দিন ধরে আর কোনও খবর পাওয়া যায়নি, এবং পরবর্তীতে জিজ্ঞাসা করা হলে নানা অজুহাত দেখানো হয়।
এরপর ছেলের বাগদত্তাকে বিয়ে করে শ্বশুরবাড়ি ফিরে আসার পর পরিস্থিতি চরমে পৌঁছয়। পরিবারে অশান্তি শুরু হয়, যার ফলে বাবা-ছেলের মধ্যে মারামারি হয় এবং নববধূ এবং তার শাশুড়ির মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ হয়। এই ঝগড়া এবং মারামারি হুমকি, থানা, পুলিস পর্যন্ত পর্যন্ত গড়ায়।
খবর অনুসারে, গ্রাম পঞ্চায়েত ডাকা হয় এবং লোকটি এবং তার নববধূকে গ্রাম থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তারা এখন অন্য গ্রামে বসবাস করছেন। আর্থিক সংগতি না থাকার কারণে মেয়েটির পরিবার চুপ থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।
(Feed Source: zeenews.com)
