ভারত-বিরোধী লেফটেন্যান্ট জেনারেলকে বড় পদ দিচ্ছে বাংলাদেশ! নিশানায় সেনাপ্রধানও?

ভারত-বিরোধী লেফটেন্যান্ট জেনারেলকে বড় পদ দিচ্ছে বাংলাদেশ! নিশানায় সেনাপ্রধানও?

‘ভারত-বিরোধী’ লেফটেন্যান্ট জেনারেলকে বড় পদ দিচ্ছে বাংলাদেশ! আর তার ফলে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও ধাক্কা খেতে পারে বলে মনে করছে একটি মহল। শুধু তাই নয়, সেই সিদ্ধান্তের পিছনে কি বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকেও চাপে রাখার কৌশলও আছে?

1/6সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ভারত-বিরোধী হিসেবে পরিচিত লেফটেন্যান্ট জেনারেল আবু আয়ুব মহম্মদ জাহিরুল আলমকে বাংলাদেশের সহকারী জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদে বসাতে চলেছে মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। যে ব্যক্তির সঙ্গে পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস ইনটেলিজেন্সের (আইএসআই) ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ আছে। পাকিস্তানের প্রতি তাঁর কতটা প্রেম আছে, সেটার প্রমাণ অতীতে একাধিকবার মিলেছে বলেও দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট মহল।

2/6যখন বিএনপি ক্ষমতায় ছিল, তখন বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর প্রধান ছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহিরুল। ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ইসলামাবাদের প্রতি তাঁর এতটাই প্রেম ছিল যে একবার তো পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর সদস্যদের হাতে বাংলাদেশের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ তুলে দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ ওঠে।

3/6শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রয়াত ভাই সইদ ইস্কান্দরের সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠতা ছিল লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহিরুলের। অভিযোগ ওঠে, ভারতের মিজোরাম এবং অসমের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অস্ত্র প্রদানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন ইস্কান্দর। তাদের প্রশিক্ষণেরও বন্দোবস্ত করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। আর ইস্কান্দরের সঙ্গেও পাকিস্তানের গভীর যোগ ছিল।

4/6সেই লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহিরুলকেই সম্ভবত বাংলাদেশের সহকারী জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদে বসানো হচ্ছে বলে সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনমিকস টাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহিরুলকে যদি শেষপর্যন্ত ওরকম গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়, তাহলে ঢাকার সঙ্গে ইসলামাবাদের দহরম আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। সেইসঙ্গে ধাক্কা খাবে নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক।

5/6বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের তরফে অবশ্য সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি। যদিও বিশেষজ্ঞদের মতে, শেষপর্যন্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহিরুলকে যদি ওই পদে বসানো হয়, তাহলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। কারণ ২০২৪ সালের অগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করেছেন ইউনুসরা। অভিযোগ উঠেছে যে বাংলাদেশে ভারত-বিরোধীদের ফ্রি-হ্যান্ড দেওয়া হয়েছে।

6/6আর সেই সিদ্ধান্তের পরে আরও একটি জল্পনা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে চাপে রাখতেই কি পাকিস্তান প্রীতি থাকা একজনকে সহকারী জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদে বসাচ্ছেন ইউনুস? কারণ দীর্ঘদিন ধরেই জল্পনা চলছে যে জেনারেল ওয়াকারের নেতৃত্বে সামরিক অভ্যুত্থান হতে পারে।

(Feed Source: hindustantimes.com)