Bajaj Freedom 125- সম্প্রতি দেশের প্রথম CNG বাইক বাজারে এনেছে Bajaj। যার নাম Bajaj Freedom 125। এর বেস মডেলের দাম মাত্র ৯০ হাজার টাকার আশপাশে (এক্স-শোরুম মূল্য)।
কলকাতা: সাধারণ পেট্রোল বাইক চালাতে চালাতে যাঁদের একঘেয়ে লাগছে, তাঁদের জন্য বাজারে রয়েছে একটি CNG বাইক। আর সবথেকে বড় কথা হল, এটি দুর্ধর্ষ মাইলেজ দিচ্ছে। আজকের প্রতিবেদনে এই বাইকের বিষয়ে আলোচনা করে নেওয়া যাক।
সম্প্রতি দেশের প্রথম CNG বাইক বাজারে এনেছে Bajaj। যার নাম Bajaj Freedom 125।
এর বেস মডেলের দাম মাত্র ৯০ হাজার টাকার আশপাশে (এক্স-শোরুম মূল্য)। বলে রাখা ভাল যে, ভাল মাইলেজ দেওয়ার জন্যই এই বাইকটিকে ডিজাইন করা হয়েছে। আর এটি CNG এবং পেট্রোল উভয়েই চালানো যাবে।
যাঁরা খরচ সাশ্রয় করতে চান, তাঁদের জন্য তৈরি হয়েছে এই Bajaj Freedom 125। এই CNG-পাওয়ার্ড বাইকে পেট্রোল বাইকের তুলনায় ৫০ শতাংশ কম খরচ হয়। এই গাড়িটিতে একটি ছোট্ট পেট্রোল ট্যাঙ্কও রয়েছে। যাতে প্রয়োজন হলে আরোহীরা পেট্রোলও ব্যবহার করতে পারেন। এই গাড়ির ডান দিকের হ্যান্ডেলবারে রয়েছে একটি স্যুইচ। এই স্যুইচটি টিপলেই পেট্রোল এবং CNG-র মধ্যে পরিবর্তন করা সম্ভব হবে।
বাইকের পেট্রোল ট্যাঙ্কের নীচে ইনস্টল করা রয়েছে CNG ট্যাঙ্কটি। অন্যান্য বাইকের তুলনায় দেখতে আলাদা নয় এটি। তবে হ্যাঁ CNG ভরার নজলটি পেট্রোল নজলের তুলনায় একটু আলাদা। কারণ CNG-কে উচ্চ চাপের মধ্যে রাখা হয়। পেট্রোল ট্যাঙ্কের ক্যাপাসিটি ২ লিটার। আর CNG ট্যাঙ্কে ২ কেজি গ্যাস ভরা যেতে পারে।
Bajaj-এর দাবি, Bajaj Freedom 125-তে একবার CNG ভরালে ২১৩ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারে। আর পেট্রোল ট্যাঙ্কে পেট্রোল থাকলে তা আরও ১১৭ কিলোমিটার যেতে পারে। অর্থাৎ সব মিলিয়ে তা ৩৩০ কিলোমিটার দৌড়তে পারে। CNG-তে চলার সময় এর মাইলেজ থাকে প্রতি কিলোগ্রামে ১০২ কিলোমিটার। আর পেট্রোলের ক্ষেত্রে মাইলেজ হয় লিটার প্রতি ৬৪ কিলোমিটার।
Bajaj Freedom 125-এ ১২৫ সিসি-র সিঙ্গেল ইঞ্জিন রয়েছে। যা হাওয়ায় ঠান্ডা হয়ে যায়। এই ইঞ্জিন ৯.৪ বিএইচপি পাওয়ার এবং ৯.৭ এমএম টর্ক উৎপন্ন করে। এই বাইকের সামনের দিকে টেলিস্কোপিক সাসপেনশন এবং পিছনের দিকে মোনোশক সাসপেনশন রয়েছে। আর ব্রেকিংয়ের জন্য সামনের দিকে ডিস্ক ব্রেক আর পিছনের দিকে ড্রাম ব্রেক থাকে। এই বাইকে রয়েছে ১৭ ইঞ্চির অ্যালয় হুইল।
Bajaj Freedom 125-এর লুকে রেট্রো এবং আধুনিক ছোঁয়া রাখা হয়েছে। এতে ডে-টাইম রানিং লাইট (DRL)-সহ একটি গোলাকার হেডল্যাম্প রয়েছে। সিটটি সমতল, হ্যান্ডেলবারটি প্রশস্ত এবং ফুটপেগগুলি মধ্যবর্তী স্থানে রয়েছে। যা বাইকে ভ্রমণকে আরও আরামদায়ক করে তোলে। এর মিটারটি সেমি-ডিজিটাল, যার একাধিক আলোর সঙ্কেত রয়েছে। যেমন – সিএনজি কম হলে অ্যালার্ট আসবে। সেই সঙ্গে গাড়িটি নিউট্রাল গিয়ারে থাকার সঙ্কেতও রয়েছে।
এমনিতে Bajaj Freedom 125-এর সঙ্গে সরাসরি কেউই টক্কর দিতে পারবে না। কিন্তু এটি বাজারে থাকা অন্যান্য ১২৫ সিসি বাইকের সঙ্গে অনায়াসে পাল্লা দিতে পারে। যার মধ্যে রয়েছে Honda Shine 125, Hero Glamour, TVS Raider 125 এবং Hero Xtreme 125R। তবে এখন এই গাড়ি কিনে অনেকেরই উপার্জনের রাস্তা খুলেছে। অনেকেই বিভিন্ন অ্যাপে বাইক ট্যাক্সি চালিয়ে স্বনির্ভর হচ্ছেন।
(Feed Source: news18.com)