
সৌরভ এবং ডোনা দুজনেই কলকাতার বেহালায় প্রতিবেশী হিসেবে বড় হয়ে উঠেছেন। ছোটবেলা থেকেই তাদের মধ্যে পরিচয় ছিল। সৌরভ গলিতে ক্রিকেট খেলতেন। বল ডোনার বাড়িতে পড়লে কুড়োতেও গিয়েছেন একাধিকবার। পরে একবার টিউশন পড়ার জন্যও ডোনাকে পৌঁছে দিয়ে এসেছিলন সৌরভ। আজতক বাংলাকে ডোনা জানিয়েছিলেন, সেটাই তাদের প্রথম একসঙ্গে বাইরে বেরনো। চাইনিজ রেস্টুরেন্টটেও নাকি গিয়েছিলেন সেদিন।
লুকিয়ে বিয়ে করেন দুজনে
যদিও তারা একে অপরকে ভালোবাসতেন, তাদের বিয়ের বিষয়ে পরিবারের তরফে সম্মতি সম্ভবত ছিল না। যে কারণে তাদের লুকিয়ে বিয়ে করতে হয়। কিন্তু পরে ম্যারেজ রেজিস্ট্রার সেই খবর ফাঁস করে দেন। ১৯৯৬ সালের ১২ই আগস্ট, পরিবারের কাউকে না জানিয়েই সৌরভ ও ডোনা আইনিভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এই গোপন বিয়ের পরেই সৌরভ শ্রীলঙ্কা সফরে চলে যান।
পরিবারে খবর যায়
তাদের এই গোপন বিয়ের খবর একসময় দুই পরিবারেই পৌঁছে যায়। প্রথমে প্রচণ্ড রাগ ও ক্ষোভ থাকলেও, ভালোবাসার গভীরতা বুঝতে পেরে অবশেষে উভয় পরিবারই তাদের সম্পর্ক মেনে নেয়। তার এক বছর পর ১৯৯৭ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি, দুই পরিবারের উপস্থিতিতে সমস্ত রীতিনীতি মেনে সৌরভ ও ডোনার সামাজিক বিবাহ সম্পন্ন হয়।
আদর্শ প্রেমের উদাহরণ
ছোট থেকে দুজনের মধ্যে ভালোবাসা ও প্রেম ও দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে তাঁদের বিবাহিত জীবন একটা যথার্থ প্রেমের উদাহরণও বটে। নানা সময় সৌরভ স্বীকার করেছেন, তাঁর জীবনে তাঁর ‘ম্যাডামের’ ভূমিকা। ফলে জন্মদিনে এই প্রেম কাহিনির কথা যেন না বললেই নয়।
(Feed Source: hindustantimes.com)
