
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: রাধিকা যাদব হত্যাকাণ্ড(Radhika Yadav Murder) পরতে পরতে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিস সূত্রে জানা যাচ্ছে, দীপক যাদব(Deepak Yadav) নিজের মেয়েকে ২ কোটি টাকা দেয় টেনিস অ্যাকাডেমি খোলার জন্য। মেয়ের স্টারডমের পিছনে বাবারই সহযোগিতা। তাহলে কী করে সে এই কাজ করতে পারে? উঠছে নানা প্রশ্ন।
সাপোর্টিভ বাবা দীপক:
গত বৃহস্পতিবার ২৫ বছরের টেনিস তারকা রাধিকাকে চারবার গুলি করে বাবা দীপক। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় রাধিকার। পুলিসি জেরায় নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করে অভিযুক্ত। পুলিস আরও জানিয়েছে, ৪৯ বছরের দীপক সর্বদাই নিজের মেয়েকে সমর্থন করে এসেছে। রাধিকাকে ২ লাখের র্যাকেট কেনা থেকে শুরু করে ২ কোটি দিয়ে অ্যাকাডেমি খোলার জন্য টাকা দেয় দীপকই। খেলতে গিয়ে রাধিকার চোট লাগে। তাই তাকে খেলা ছাড়তে হয়। এরপরই রাধিকা অ্যাকাডেমি খোলার চিন্তাভাবনা করে। তখন থেকে তার বাবা তাকে পুরোদমে সাপোর্ট করে। শুধু তাই নয়, রাধিকা যখন মিউজিক ভিডিয়ো করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন, তখন দীপক নিজে ১১ ঘণ্টা ধরে সেটে মেয়ের সঙ্গে থাকে। তবে কী থেকে আচমকা এই ভয়ংকর আক্রোশ?
টার্নিং পয়েন্ট:
দীপক সম্প্রতি তার জন্মস্থান গ্রামে গিয়েছিল। সেখানে কিছু গ্রামবাসী তাকে কটাক্ষ করে। এবং মেয়েকে সাপোর্ট করার জন্য তিরস্কার করে। এমনকি দীপককে তারা ‘গিরা হুয়া বাপ’ অর্থাত্ নিকৃষ্ট বাবা বলে ডাকাডাকি করতে থাকে। এতেই দীপক তার মেজাজ হারিয়ে ফেলে।
বাড়ি ফিরে মেয়ে রাধিকাকে অ্যাকাডেমি বন্ধ করার কথা বলে। মেয়ে তা প্রত্যাখান করার পর তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। তারপরই তিন দিন ধরে দীপক গুমড়েছে। তখনই সে সিদ্ধান্ত নেয় যে, হয় নিজে আত্মহত্যা করবে, নয় মেয়েকে মেরে ফেলবে। দুভার্গ্যজনকভাবে দীপক দ্বিতীয় পথটি বেছে নেয়। এবং বৃহস্পতিবার মেয়েকে রান্নাঘরে গিয়ে গুলি চালিয়ে খুন করে।
রাধিকার মায়ের প্রতিক্রিয়া:
রাধিকার মা জানিয়েছেন, দীপক একজন বদমেজাজি মানুষ। ছোটখাটো বিষয়েই রেগে যেত। স্ত্রী এবং মেয়েকে সন্দেহ করত। এমনকী তার স্ত্রী একবার তার ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলছিল, এই নিয়ে তাদের মধ্যে তুমুল ঝামেলাও হয়। তবে এই ঘটনা নিয়ে পুলিসের কাছে তিনি কিছু বলতে চাইছেন না। মঞ্জু যাদব শুধু জানিয়েছেন, ঘটনার সময় তিনি ফ্ল্যাটেই ছিলেন। কিন্তু তিনি জ্বরে ভুগছিলেন এং কিছুই দেখেননি।
(Feed Source: zeenews.com)
