Success Story: আইআইটি-আইআইএমের স্নাতক, কোটি টাকার প‍্যাকেজ ছেড়ে নিরাপত্তারক্ষীর চাকরি শুরু! তিনি কে জানেন? 

Success Story: আইআইটি-আইআইএমের স্নাতক, কোটি টাকার প‍্যাকেজ ছেড়ে নিরাপত্তারক্ষীর চাকরি শুরু! তিনি কে জানেন? 

Success Story: একেবারে ভিন্ন পথে হেঁটেছেন অভিষেক কুমার। আসলে মেধাবী এই ছাত্র একটা সময় নিরাপত্তা রক্ষী হিসেবে ১৪ ঘণ্টা কাজ করেছেন। কারণ তাঁর লক্ষ্যটাই ছিল অন্যরকম।

Picture Credit: LinkedIn/@abhishekkumariimaSuccess Story: আইআইটি-আইআইএমের স্নাতক, কোটি টাকার প‍্যাকেজ ছেড়ে নিরাপত্তারক্ষীর চাকরি শুরু! তিনি কে জানেন? 
Picture Credit: LinkedIn/@abhishekkumariima

এই দুনিয়ায় প্রায় প্রত্যেকেই উচ্চ বেতনের কর্পোরেট চাকরির সন্ধান করে থাকেন। তবে এক্ষেত্রে একেবারে ভিন্ন পথে হেঁটেছেন অভিষেক কুমার। আসলে মেধাবী এই ছাত্র একটা সময় নিরাপত্তা রক্ষী হিসেবে ১৪ ঘণ্টা কাজ করেছেন। কারণ তাঁর লক্ষ্যটাই ছিল অন্যরকম। আসলে এই ধরনের নিরাপত্তা রক্ষীদের সামনে উদ্রেক হওয়া বাস্তবিক সমস্যাগুলি অনুধাবন করতে চেয়েছিলেন অভিষেক। এরপরেই অবশ্য একটি প্রযুক্তিগত সমাধান নিয়ে এসেছিলেন তিনি।

সম্প্রতি শিল্পপতি হর্ষ গোয়েঙ্কা সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিষেকের এই সফর ভাগ করে নিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে তিনি এ-ও জানান যে, অভিষেকের গল্প থেকে আমাদের শেখার অনেক কিছু রয়েছে। আইআইটি কানপুর এবং আইআইএম আহমেদাবাদের মেধাবী প্রাক্তন এই ছাত্র এক সময় Goldman Sachs-এর ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব সামলেছেন। কিন্তু কর্পোরেট জগতের সিঁড়ি বেয়ে ওঠার পরিবর্তে সেই সব কিছু ছেড়েছুড়ে তিনি একটা সমস্যা সমাধান করার পিছনে দৌড়তে শুরু করেন।

Goldman Sachs থেকে গেটেড কমিউনিটি:

তবে অভিষেকের জীবনে আসে এক নয়া মোড়। আসলে তিনি MyGate-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এটি আসলে একটি সিকিউরিটি এবং কমিউনিটি ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ। গোটা দেশের পঁচিশ হাজারেরও বেশি হাউজিং সোসাইটির প্রায় ৪০ লক্ষ বাসিন্দা ব্যবহার করে এই অ্যাপ। তবে এটি তৈরি করার আগে অভিষেক যা করেছিলেন, সেটা হয়তো কেউই করতেন না। আসলে গায়ে নিরাপত্তাকর্মীর পোশাক চাপিয়ে ১৪ ঘণ্টার শিফটে কাজ করতে শুরু করেছিলেন তিনি।

একটি লিঙ্কডইন পোস্টে অভিষেক লিখেছেন যে, এভাবে নিরাপত্তা রক্ষী সেজে নিরাপত্তা রক্ষীদের গতিবিধি, আচরণের উপর নজর রাখতেন। শুধু তা-ই নয়, তাঁদের রুটিনও অনুসরণ করতেন। এমনকী তাঁদের ডিউটি পর্যন্ত নিয়ে নিয়েছিলেন। দিনে কীভাবে ৫০টিরও বেশি কল তাঁরা সামলাতেন, ভিজিটরদের রেকর্ড রাখতেন এবং তা সত্ত্বেও বাসিন্দাদের অভিযোগ শুনতেন – এই সমস্ত কিছুর উপরেই নজর রেখেছিলেন অভিষেক। এই অভিজ্ঞতার কারণেই সমস্যার সমাধান খুঁজে পেতেও সুবিধা হয়েছিল তাঁর। আসলে তিনি বুঝেছিলেন, বিষয়টা শুধুই প্রযুক্তিগত নয়। এটার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে ভরসা, ডিজাইন এবং ব্যবহারের সুবিধাও।

MyGate-এর পিছনে থাকা আইডিয়া:

২০১৬ সালে এসেছিল এই আইডিয়াটি। আসলে সেই সময় শৌর্যচক্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এবং বায়ুসেনার প্রাক্তন বিমানচালক ভারতের স্মার্ট, নিরাপদ এবং কানেক্টেড সোসাইটির বিষয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। এরপরেই আইআইটি গুয়াহাটি এবং আইএসবি-র প্রাক্তন ছাত্র শ্রেয়াংস দাগার সঙ্গে মিলে MyGate চালু করার সিদ্ধান্ত নেন অভিষেক। আসলে বাসিন্দাদের পাশাপাশি নিরাপত্তা রক্ষীদের জন্যও রেসিডেন্সিয়াল নিরাপত্তাকে আরও জোরদার এবং কার্যকর করে তোলাই ছিল এটির লক্ষ্য।

আজকের MyGate:

বর্তমানে কমিউনিটি সিকিউরিটি এবং ভিজিটর ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রে ভারতের সবথেকে ভরসাযোগ্য অ্যাপ হয়ে উঠেছে MyGate। এতে রয়েছে ডিজিটাল চেক-ইন, ভিজিটর ট্র্যাকিং, ডেলিভারি ম্যানেজমেন্ট এবং আরও নানা গুরুত্বপূর্ণ ফিচার। বাসিন্দা এবং রক্ষীদের ম্যানুয়াল কাজের ভার লাঘব করেছে এই অ্যাপ। সেই সঙ্গে স্বচ্ছতারও উন্নতি ঘটিয়েছে।

(Feed Source: news18.com)