দুঃস্থ রোগীদের পাশে দাঁড়াতে নয়া উদ্যোগ এই রাজ্যে! বেসরকারি হাসপাতালের বিল…

দুঃস্থ রোগীদের পাশে দাঁড়াতে নয়া উদ্যোগ এই রাজ্যে! বেসরকারি হাসপাতালের বিল…

চড়া বিলের জন্য বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা অনেকেরই ধরাছোঁয়ার বাইরে। অনেকের কাছে বেসরকারি হাসপাতাল মানেই লক্ষ লক্ষ টাকার বিল। যার জন্য বহু নিম্নবিত্ত রোগীদের রীতিমতো মাথায় হাত পড়ে যায়। এবার রোগীদের এই সমস্যার মুশকিল আসান হয়ে আসবে কর্পোরেট সংস্থা, রাজ্য সরকার ও যে হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে সেই নির্দিষ্ট হাসপাতালটি। বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আর বিল নিয়ে ভাবতে হবে না আর্থিক দিক থেকে দুর্বল রোগীকে।

কী জানাল মুখ্যমন্ত্রীর দফতর?

মহারাষ্ট্রে খুব শিগগিরই এমন ব্যবস্থা চালু হতে পারে বলে জানিয়েছে ওই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী চিকিৎসা সহায়তা কেন্দ্রের প্রধান রমেশ্বর নায়েক। এই ব্যবস্থা চালু করার জন্য ইতিমধ্যে কথাবার্তা চলছে বিভিন্ন কর্পোরেট হাউসগুলির সঙ্গে। তিন তরফ থেকে রোগীকে সাহায্যের এই প্রকল্পে কর্পোরেট সংস্থা আর হাসপাতালগুলি রাজি হলেই দ্রুত শুরু হয়ে যাবে প্রকল্পটি। রমেশ্বরের কথায়,‘আমরা এখনও হিসেবনিকেশ করে দেখছি সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কত টাকা দিতে বা মকুব করতে পারবে রোগীর চিকিৎসার জন্য। অথবা এমন ক্ষেত্রে নিখরচায় চিকিৎসা দিতে পারবে কি না সেদিকটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কার কী সুবিধা এতে?

এক সরকারি আধিকারিকের কথায়, তিন তরফ থেকে সাহায্য এলে প্রত্যেকের উপর চাপ কম পড়ে। পাশাপাশি রোগীও সকলের কাছ থেকে সাহায্য পেলে ঠিকভাবে চিকিৎসা করিয়ে নিতে পারে। আগে একটি কর্পোরেট হাউস বা তাদের বিশেষ বিভাগের উপর এমন রোগীর চিকিৎসা জোগানোর সব ভার পড়ত। ফলে প্রায়ই দেখা যেত কিছু টাকা জোগাড় হলেও কিছু টাকা জোগাড় হচ্ছে না। তবে এই সমস্যা খুব দ্রুত মিটে যেতে পারে। কর্পোরেট সংস্থাগুলি রাজি হলেই মহারাষ্ট্রে শুরু হয়ে যাবে এই প্রকল্প।

মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগ

প্রসঙ্গত, কয়েক মাস আগেই মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ তাঁর মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্স সেলের সঙ্গে চ্যারিটি কমিশনারস অফিসকে যুক্ত করেছিলেন। বিভিন্ন ট্রাস্ট পরিচালিত হাসপাতালগুলিতে রোগীরা যাতে সঠিক পরিষেবা পায় তার জন্য এই ব্যবস্থা করা হয়।

(Feed Source: hindustantimes.com)