
নয়াদিল্লি: নদীতে সাঁতার কাটতে গিয়ে নিখোঁজ কিশোরী। খবর করতে গিয়ে সেই জলে নেমেছিলেন সাংবাদিকও। কিন্তু রিপোর্টিংয়ের মাঝেই লাফিয়ে উঠলেন তিনি। তড়িঘড়ি ডাঙায় উঠে এলেন। জানালেন, জলে একটি দেহের উপরই দাঁড়িয়েছিলেন বলে মনে হল। সাংবাদিকের কথা শুনে তড়িঘড়ি তল্লাশি শুরু হল। আর তাতেই ওই জায়গা থেকে উদ্ধার হল কিশোরীর নিথর দেহ। (Brazil Reporter Video)
ব্রাজিলের উত্তর-পূর্বের মেয়ারিম নদী এলাকা থেকে এই ঘটনা সামনে এসেছে। ১৩ বছর বয়সি স্কুলপডুয়া এক মেয়ে সেখানে নিখোঁজ হয়ে যায়। নদীতে সাঁতার কাটতে গিয়েছিল মেয়েটি। তার পর থেকে আর খোঁঝ পাওয়া যায়নি তার। ওই ঘটনায় খবর করতে যান স্থানীয় সংবাদিক লেনিল্ডো ফ্রাজাও। জলে নেমে গভীরতা বোঝানোর চেষ্টা করছিলেন দর্শকদের। কিন্তু কথা বলতে বলতে আচমকা লাফিয়ে ওঠেন তিনি। এমনকি আতঙ্কিত অবস্থায় কার্যত হুমড়ি খেয়ে পড়েন তিনি। নদীর জলও খেয়ে ফেলেন। (Viral Video)
সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সেই ভিডিও। দেখা গিয়েছে, বুকসমান জলে দাঁড়িয়ে রয়েছেন লেনিল্ডো। হাতে বুম ধরে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে কথা বলছেন। হঠাৎই জলে লাফিয়ে ওঠেন তিনি। কিছু একটার স্পর্শ পেয়েছেন বলে জানান। তড়িঘড়ি উপরে উঠে আসেন তিনি। বলেন, “জলের নীচে কিছু একটা রয়েছে। আমি আর নামব না। ভয় পাচ্ছি আমি। একটা হাত বলে মনে হল। মেয়েটির কি? মাছও হতে পারে। আমি জানি না।”
#AHORA| Un reportero en Brasil, Lenildo Frazão, se volvió viral tras pisar accidentalmente el cuerpo de Raíssa, una niña de 13 años desaparecida, mientras cubría la noticia en el río Mearim, en Bacabal. El momento quedó grabado y se difundió en redes como TikTok y X. Horas… pic.twitter.com/ks3Ryl0X6U
— Sambonews TV Digital (@Sambonews_ecu) July 22, 2025
এর পরই ওই জায়গায় তল্লাশিতে নামে দমকল বাহিনী। শেষ পর্যন্ত কিশোরীর দেহ উদ্ধার হয়। যে জায়গায় দাঁড়িয়েছিলেন লেনিল্ডো, সেখান থেকেই দেহটি উদ্ধার হয় বলে জানা গিয়েছে। তাহলে কি ওই দেহর উপরই দাঁড়িয়ে পড়েছিলেন লেনিল্ডো, নাকি পায়ে দেহটির স্পর্শ পান? নানা তত্ত্ব উঠে আসতে শুরু করেছে ইতিমধ্যেই। ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সর্বত্র।
ব্রাজিলের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বন্ধুদের সঙ্গে সাঁতার কাটতে গিয়েছিল ১৩ বছরের রাইসা। তার পর থেকে আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না তার। দেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তও হয়, তাতে দেখা গিয়েছে, দুর্ঘটনাবশতই জলে ডুবে যায় মেয়েটি। শরীরে অত্যাচারের কোনও চিহ্ন মেলেনি। রাইসার মৃত্যুতে তার স্কুলে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়। তাকে শ্রদ্ধা জানাতে বিশেষ প্রার্থনাসভার আয়োজনও হয়েছিল। সেখানে মোমবাতি হাতে অনেকেই শামিল হন।
(Feed Source: abplive.com)
