Death News: ফ্লাইওভারের নীচে ৬ ঘণ্টা ধরে পড়ে রইল মৃতদেহ।পুলিশ ও গ্রাম পঞ্চায়েতে গিয়েও অসহযোগিতা। সহায়তায় এগিয়ে এল স্থানীয় ও সমাজসেবীরা।
বিপনচিকার পরিবার এই মৃত্যুকে আত্মহত্যা নয়, “ডাবল মার্ডার” বলে দাবি করেছে। ইউএই পুলিশও এই মামলার তদন্ত করছে।
বাগডোগরা: অমানবিক ছবি ফুটে এল বাগডোগরায়।কয়েক মিটারের মধ্যে থানা ও গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস থাকলেও ৬ ঘণ্টা ধরে পড়ে রইল মৃতদেহ। বাগডোগরা থানা সংলগ্ন এশিয়ান হাইওয়ে ফ্লাইওভারের নীচে কয়েক ঘণ্টা ধরে পড়ে রইল এক ব্যক্তির মৃতদেহ।
মৃতদেহ সৎকার করতে পুলিশ ও গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়েও গিয়ে অসহযোগিতা পেয়ে ঘুরে এল মৃতের ছেলে। পরে সমাজসেবী ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়। জানা গিয়েছে স্ত্রীর মৃত্যুর পর ভবঘুরে অবস্থায় দিন গুজরান ছিল শিবা মুন্ডার।
ফ্লাইওভারের নীচেই থাকতেন তিনি৷ সম্প্রতি অসুস্থ হয়ে পড়ে থাকত এখানে৷ রাতে মৃত্যুর পর নাবালক ছেলে খবর পেয়ে আসলেও সহায়তা পায়নি বলে অভিযোগ। পরে অবশ্য সহায়তা করে পুলিশ।
জানা গিয়েছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাগডোগরা শহরে এই ধরনের ছবি ফুটে উঠতেই ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।
বিশ্বজিৎ মিশ্র
(Feed Source: news18.com)